বরিশালের আগৈলঝাড়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের হামলা-সংঘর্ষে ১৫ জন আহত হয়েছে। গুরুতর আহত ১৩ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেলে উপজেলার নাঘিরপাড় ও বড়মগড়া গ্রামের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বড়মগড়া বাসষ্ট্যান্ডে দুই পক্ষের হামলা-সংঘর্ষে ১৫ জন আহত হয়েছে। বড়মগড়া গ্রামের তমাল পান্ডের সাথে নাঘিরপাড় গ্রামের রাসেল বক্তিয়ারের সাথে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে বাকবিতন্ডা হয়। এসময় বাকবিতন্ডার এক পর্যায় নাঘিরপাড় ও বড়মগড়া গ্রামের দুই পক্ষের তমাল পান্ডে, অচিন্ত পান্ডে, মিলটন মন্ডল, শহীদ সরদার, রাসেল বক্তিয়ার, অলিউল্লাহ বক্তিয়ার, নয়ন মন্ডল, শহিদুল সরদার, লিয়ন সরদার, আশিক সরদার, তরু হাওলাদার, লাদেন বক্তিয়ার, জীবন রায়সহ ১৫ জন আহত হয়।
বড়মগড়া গ্রামের তমাল পান্ডে জানান, সোমাইরপাড় গ্রামের পূর্বের একটি বিরোধ নিয়ে শুক্রবার বিকেলে বড়মগড়া বাসষ্ট্যান্ডে শালিস বৈঠক হওয়ার কথা ছিল তখন উপস্থিত নাঘিরপাড় গ্রামের কয়েক যুবক বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে হামলা-সংঘের্ষের সূত্রপাত ঘটে।
নাঘিরপাড় গ্রামের রাসেল বক্তিয়ার জানান, পূর্ব বিরোধ নিয়ে শালিস বৈঠক ডেকে পরিকল্পিত ভাবে আমাদের উপর হামলা চালায় বড়মগড়া গ্রামের লোকজন। হামলা-সংঘর্ষের ঘটনায় দুই পক্ষের ১৩ জনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ হাফিজুর রহমান দিপু জানান, হামলা-সংঘর্ষের ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে থানা পরিদর্শক মোঃ গোলাম ছরোয়ার জানান, দুই পক্ষের হামলা-সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় কোন অভিযোগ দায়ের হয়নি। অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া বলেও জানান তিনি।