মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন

এ বাসা থেকেই ঢাকার সিসি ক্যামেরা নিয়ন্ত্রণ!

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিতঃ সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২০
  • ৫১ জন নিউজটি পড়েছেন

ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর এরফান সেলিমের বাসায় অভিযান চালিয়ে বিপুল সংখ্যক ওয়াকিটকি সদৃশ যন্ত্রপাতি জাতীয় সরঞ্জাম পাওয়া গেছে। যা দিয়ে ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায় সিসিটিভি ক্যামেরা নিয়ন্ত্রণ করা করা হতো বলে জানিয়েছেন র‍্যাবের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা। তিনি জানান, ঢাকা শহরে অবৈধভাবে কোনো সিগন্যালিংয়ের জন্য ব্যবহার করা হতো। এগুলোর ন্যায্য কাগজপত্র দেখাতে না পারলে সেগুলোও অবৈধ।

এদিকে দুপুর ১২টা শুরু হওয়া অভিযান এ প্রতিবেদন (বিকেল ৫টা) পর্যন্ত র‌্যাবের অভিযানে অবৈধ যেসব জিনিসপত্র পাওয়া যায়। এর মধ্যে আছে বিদেশি মদ ও বিপুল সংখ্যক মদের বোতল। পাওয়া গেছে বেশ কিছু বিয়ারের ক্যান। একটি আগ্নেয়াস্ত্র, যেটা অবৈধ বলে ধারণা করছে র‍্যাব। সেটির কাগজপত্র এখনও দেখাতে পারেননি তিনি।

এরফানের কন্ট্রোল রুম থেকে উদ্ধার ওয়াকিটকি ও অন্যান্য সরঞ্জাম
এদিকে, ওই বাড়িতেই এরফানসহ আরো দুইজন পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। এর আগে ২৫ অক্টোবর রাতে ঢাকা-৭ আসনের এমপি হাজী মোহাম্মদ সেলিমের ‘সংসদ সদস্য’ লেখা সরকারি গাড়ি থেকে নেমে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহমেদ খানকে মারধর করা হয়। রাতে এ ঘটনায় জিডি হলেও ২৬ অক্টোবর ভোরে হাজী সেলিমের ছেলেসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন ওয়াসিফ। মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলাটি করা হয়েছে। আসামিরা হলেন, ইরফান সেলিম, এ বি সিদ্দিক দীপু, জাহিদ, মীজানুর রহমান ও অজ্ঞাতনামা আরও দুই/তিনজন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ইরফানের গাড়ি ওয়াসিমকে ধাক্কা মারার পর নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিম সড়কের পাশে মোটরসাইকেলটি থামান এবং গাড়ির সামনে দাঁড়ান। নিজের পরিচয় দেন। এরপরই গাড়ি থেকে কয়েকজন বের হয়ে ওয়াসিমকে কিলঘুষি মারেন এবং তার স্ত্রীকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। তারা মারধর করে ওয়াসিমকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে যান। পরে তার স্ত্রী, স্থানীয় জনতা এবং পাশে ডিউটিরত ধানমন্ডির ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা তাকে উদ্ধার করে আনোয়ার খান মডেল হাসপাতালে নিয়ে যান।া

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English