ভাবে বাংলাদেশের দায়িত্বজ্ঞানহীন সরকার এ বিষয়ে কী ব্যবস্থা গ্রহণ করছে তা স্পষ্টভাবে জনগণের সামনে তুলে ধরছে না। বিভিন্ন দায়িত্বশীল ব্যক্তি বিভ্রান্তিমূলক তথ্য তুলে ধরছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অযোগ্যতার কারণে জীবন রক্ষাকারী টিকা সংগ্রহ কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। টিকা সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং বিতরণের বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণ করতে না পারলে জনগণ উপকৃত হবে না। উপরন্ত ব্যাপক দুর্নীতির সুযোগ সৃষ্টি হবে। যেহেতু যথাযথ তাপমাত্রায় এই ভ্যাকসিন সংরক্ষণের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সেহেতু আগে থেকেই এই বিষয়ে সব পর্যায়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।’
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আবারও ভয়াবহভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘কোভিড-১৯ সংক্রমণের শুরু থেকেই সরকারের ক্ষমাহীন উদাসীনতা ও ব্যর্থতার কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। দ্বিতীয় দফায় সংক্রমণ ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এখনও পরীক্ষার হার অত্যন্ত সীমিত। অন্যদিকে হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসার সুযোগ অত্যন্ত সীমিত থাকায় মৃত্যুর হারও বৃদ্ধি পাচ্ছে।’
সম্প্রতি ঢাকা মহানগরে অনেকগুলো বস্তিতে রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে দাবি করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এর ফলে অসংখ্য কর্মজীবী মানুষ বাস্তুহীন হয়ে পড়েছে। মুক্ত আকাশের নীচে খাদ্যাভাবে অসহনীয় জীবন কাটাচ্ছে তারা। আমরা মনে করি সরকারের মদদপুষ্ট প্রভাবশালী মহলের সরকারি জমি দখলের অসৎ উদ্দ্যেশেই এসব অগ্নিকাণ্ড ঘটানো হচ্ছে।’
এছাড়াও সভায় স্থানীয় পর্যায়ে দলের সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার স্বার্থে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ঘোষিত ২৫টি পৌরসভার মেয়র নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিএনপি মহাসচিব ছাড়াও এতে উপস্থিত ছিলেন- স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যরিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যরিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেগম সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।