প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া শঙ্কা থাকলেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিয়েছে ইরান; শনিবার দেশটির সব স্কুল খুলে দেওয়া হয়েছে।
সাত মাস বন্ধ থাকার পর প্রায় দেড় কোটি শিক্ষার্থী এখন থেকে আবার স্কুলে যেতে পারবে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে রয়টার্স।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক ভিডিও কনফারেন্সে এই কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি। তিনি বলেন, চলতি বছর শিক্ষার্থীদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব অনেক।
প্রেসিডেন্ট বলেন, সমাজের জন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সমান গুরুত্ব বহন করে। শিশুকে স্কুলে পাঠানোর জন্য অভিভাবকদের বাধ্য করা হবে না। যারা ইচ্ছা করবেন; তারাই সন্তানকে স্কুলে পাঠাবেন।
গত ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনার অস্তিত্ব পাওয়া যায়। এরপর তা ছড়িয়েছে সারাবিশ্বে। ইরানেও ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে এই ভাইরাস।
এমন পরিস্থিতিতে স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া নিয় বিরুপ প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন চিকিৎসকরা। উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন অনেকে।
সরকার কতৃক নিয়োগপ্রাপ্ত ইরানের মেডিকেল কাউন্সিলের প্রধান চিকিৎসক ড. মোহাম্মদ জাফরগান্ধি বলেন, কোনও মহামারি শুরু হলে প্রথমেই দেশের স্কুল বন্ধ করতে হয়; এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলতে হয় সবার শেষে।
ইরানে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৬৬৬জন; মৃত্যু হয়েছে ২২ হাজার ১৫৪ জনের।