আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই ও বসুরহাটের মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বলেছেন, ‘সব শিয়ালের এক ডাক। ঢাকা থেকে শুরু করে আমার এলাকা পর্যন্ত, আজকে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে অনেকভাবে।’
তিনি বলেন, ‘গত পার্লামেন্ট নির্বাচনে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে যেভাবে রাতের অন্ধকারে তাঁর বাসা থেকে জোর করে সিএমএইচে নিয়ে গেছে। অনুরূপ কিছু করার জন্য আজকে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন ওবায়দুল কাদের সাহেব। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি দেশবাসীকে জানিয়ে যাচ্ছি। এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটলে আমি আত্মহত্যা করব। আমার ওপর যদি ঘটাতে চায়, তাহলে আমি বলে দিচ্ছি আত্মহত্যা করব। আমি কোনো অসত্যের কাছে মাথা নত করব না। কী করবেন? মেরে ফেলবেন, জেলে দেবেন, লাঞ্ছিত করবেন, আর কী বাকি আছে।’ গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে নিজের ফেসবুক পেজে লাইভে এসে কাদের মির্জা এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, ‘আল্লাহ আর দলের কিছু ত্যাগী নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ ছাড়া আজকে কেউ আমার সঙ্গে নেই। আমার সত্য বচনের পর আস্তে আস্তে অনেকেই আমার কাছ থেকে সরে গেছে। এ জন্য আমি আতঙ্কিত নই, আরো উজ্জীবিত। আজকে যারা অপরাজনীতির সঙ্গে জড়িত, যারা এখানে টেন্ডারবাজি করেছে, যারা নিরীহ ভূমিহীনদের সম্পত্তি দখল করেছে, তারা আজকে প্রশাসনের সহযোগিতায় তোয়া বাজার দখল করেছে। তারা কেউ আমার সঙ্গে নেই।’
কাদের মির্জা বলেন, ‘আমি সত্য কথা বলাতে আমাকে কেউ পছন্দ করছে না। এটাই হচ্ছে আসল কথা। কী করবেন করেন, দেরি করছেন কেন।’
পরে গতকাল বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তিনি নিজের ফেসবুক পেজে পোস্ট দিয়ে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে আগুন জ্বালানোর হুমকি দেন। এর আগে বিকেল সোয়া ৩টার দিকে তাঁর ফেসবুক পেজে দেওয়া আরেকটি পোস্টে কাদের মির্জা উল্লেখ করেন, ‘আমার তিন কর্মীকে মিথ্যা মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখিয়ে মুজাক্কির হত্যাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চলছে। আমি বলেছিলাম, মুজাক্কির হত্যাকাণ্ডে জজ মিয়াদের ফাঁসানো হবে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অনতিবিলম্বে আমার কর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন করব।’