ভিয়েতনামফেরত ৪৭ কারাবন্দী মঙ্গলবার গাজীপুরে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। ঢাকা মেট্রোপলিটন আদালতের আদেশে তাদেরকে মুক্তি দেয়া হয়েছে।
মুক্তিপ্রাপ্তরা ও তাদের স্বজনরা জানান, উন্নত জীবনের আশায় মুক্তিপ্রাপ্ত এসব বাংলাদেশী দেশের বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে ভিয়েতনামে যান। সেখানে গিয়ে তারা প্রতারণার শিকার হন। পরে দূতাবাসের সহায়তায় প্রতারণার স্বীকার ১০৬ জন দেশে ফেরত আসেন। দেশে ফেরার পর প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন শেষে নিজ নিজ বাড়িতে যাওয়ার কথা থাকলেও তাদের গ্রেফতার দেখায় তুরাগ থানা পুলিশ। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
এসব যুবকের মধ্যে ৪৭ জন মঙ্গলবার আদালতের আদেশে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৯ জন কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১, ২৭ জন কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ ও কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে একজন মুক্তি পান।
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১ -এর জেলার নূর মোহাম্মদ জানান, ভিয়েতনামফেরতদের মধ্যে ১৯ জনকে গত ৫ সেপ্টেম্বর এ কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। ঢাকা মেট্রোপলিটন আদালত তাদেরকে মুক্তির আদেশ দেন। সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে আদালতের আদেশ এ কারাগারে পৌঁছে। পরে তা যাচাই বাছাই করে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে কারাগার থেকে তাদের মুক্তি দেয়া হয়।
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ -এর জেলার মো: আবু সায়েম জানান, ভিয়েতনামফেরত ৩২ জনকে গত ১ সেপ্টেম্বর এ কারাগারে পাঠানো হয়। তাদের মধ্যে ২৭ জনের মুক্তির আদেশ পাওয়া গেছে। আদেশের কপি যাচাই বাছাই করে মঙ্গলবার দুপুরে কারাগার থেকে তাদের মুক্তি দেয়া হয়েছে। এ সময়ে তাদের সাথে আনা জিনিসপত্রও বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।
কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার শফিকুল ইসলাম খান জানান, ভিয়েতনামফেরত একজনকে এ কারাগারে পাঠানো হয়। তাকে মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে মুক্তি দেয়া হয়েছে। এর আগে গত শনিবার আদালতের নির্দেশে ২০ জনকে এ কারাগার থেকে মুক্তি দেয়া হয়েছে।