শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪৮ অপরাহ্ন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কাজে লাগিয়ে জনপ্রিয় গান সৃষ্টির প্রচেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিতঃ রবিবার, ৩০ মে, ২০২১
  • ৫৯ জন নিউজটি পড়েছেন
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কাজে লাগিয়ে জনপ্রিয় গান সৃষ্টির প্রচেষ্টা

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অন্যান্য অনেক ক্ষেত্রের মতো সংগীত জগতেও প্রয়োগ করা হচ্ছে। অসংখ্য মানুষের পছন্দ-অপছন্দের ভিত্তিতে এআই সাফল্যের ফর্মুলা দিতে পারে। খবর ডয়েচেভেলের।

যে সংগীত শুনে গায়ে কাঁটা দেয়, এখনো পর্যন্ত সেটির ক্ষেত্রেও নিশ্চিত কোনো ফর্মুলা পাওয়া যায়নি। গবেষক হিসেবে ইয়ুলিয়া ব্রিশটেল গান শোনার সময় শ্রোতার ত্বকের পরিবাহিতা পরিমাপ করেছেন ৷ সেই প্রক্রিয়ায় মানসিক চাপ বা ইতিবাচক আবেগ চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হয়েছে৷ একটি গান তার মধ্যে এমন আবেগ জাগিয়ে তোলে। ব্রিশটেল মনে করেন, সেই গানে নারীকণ্ঠের সঙ্গে সুরের এমন সংযোগ রয়েছে, তা তার হৃদয় ছুঁয়ে যায়, সেই সৌন্দর্য্য গভীরভাবে নাড়া দেয়। সিগন্যালের মধ্যেও সেই প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

এমন অনুভূতি কি শুধু তার একারই হয়? বড় আকারে পরিমাপ চালিয়ে লার্নিং সফটওয়্যারের জন্য এমন তথ্য সংগ্রহ করা যায়, যা বেশিরভাগ মানুষের আবেগের চাবিকাঠি।

একটি ফর্মুলায় বেশ কাজ হয়। সফল সংগীত নতুন করে সাজালেও মানুষের তা পছন্দ হয়। আজকাল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাই সেই কাজ সারতে পারে। ২০১৬ সালের গান ড্যাডিস কার প্রথম এআই কম্পোজিশন। কম্পিউটারকে বিটলস গোষ্ঠীর ৪৫টি গানের ভিত্তিতে নতুন কিছু সৃষ্টি করার কাজও দেওয়া হয়েছিল। সর্বাধুনিক আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স সফটওয়্যার এমনকি পুরানো হিট গানও স্থায়ীভাবে পরিবর্তন করতে পারে। তবে একটি কারণে নতুন হিট সৃষ্টি এখনো সম্ভব নয়।

সপ্তাহান্তে আয়োজিত এ উৎসবে সংগীতের সুরে, তালে মেতে ছিলেন প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ। মহামারি শুরুর পর খোলা আকাশের নীচে এই প্রথম এমন আয়োজন দেখলো লিভারপুলের মানুষ। ছবিতে উৎসবে আসা দর্শকদের উদ্দাম নাচ।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষক হিসেবে ড. স্টেফান বাউমান সেই কারণ ব্যাখ্যা করে বলেন, ব্যর্থ প্রেম, মানসিক অবসাদ, মাদকে আসক্তি বা প্রবল উৎসাহের সময় কত গান লেখা হয়েছে। যন্ত্রের তো আর ঘাম হয় না! বিদ্যুৎ সংযোগ থাকলেই সেটি কাজ করে। কম্পিউটারের নশ্বরতার বোধ নেই। সেটি চলতেই থাকে।

এআই বিশেষজ্ঞ হিসেবেও তিনি নস্ট্যালজিক হয়ে পড়েন। তার মতে, খাঁটি হিট গানের নিজস্বতা থাকতে হবে, হৃদয় স্পর্শ করতে হবে। অথচ স্পটিফাই পরিষেবার অ্যালগোরিদম দেখিয়ে দিচ্ছে যে, হিট পপ গানগুলির মধ্যে মিল বেড়েই চলেছে। অর্থাৎ সাফল্য এলে সেই ধারাই বার বার নকল করা হচ্ছে।

যে সব প্রোডিউসার অনেক তারকার জন্য কাজ করেন, তারাও তাদের সেই স্টাইল বার বার সৃষ্টি করছেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাও প্রত্যাশার এই চক্র আরো শক্তিশালী করে তুলবে।নিখুঁত হিট পপ গানের প্রণালী অবশ্য বাস্তব হয়ে উঠতে পারে। তবে সংখ্যাগুরু মানুষের পছন্দ সংক্রান্ত তথ্যের ভিত্তিতে সেই গান ভীষণই বোরিং বা বিরক্তিকর লাগতে পারে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English