চিত্রনায়িকা পরীমণি বলেছেন, সেদিন আমার সাথে যে ঘটনা ঘটেছিল তার বর্ণনা দিতেই থানায় গিয়েছিলাম।
রোববার দীর্ঘ চার ঘণ্টা সাভার মডেল থানা অবস্থান করে থানা থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
থানায় দীর্ঘ সময় থাকার পর বের হয়ে যাওয়ার সময় গণমাধ্যমকর্মীরা পরীমণিকে থানায় আসার কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘অনেক আগেই আমার আসার কথা ছিল। কিন্তু অসুস্থতার কারণে আসতে পারিনি। সামনে যেহেতু লকডাউন হয়ে যাবে তাই ভাবলাম মামলার অগ্রগতি ও পরিস্থিতি জেনে আসি। আমার সাথে যে ঘটনা ঘটেছিলো সেগুলো বিররণ দিতে হলো।’
এদিকে পরীমণি থানায় এসেছেন খবর পেয়ে গণমাধ্যমকর্মীরা সেখানে ভিড় করলে পুলিশ থানার প্রধান ফটক বন্ধ করে দেয়। থানায় প্রবেশাধিকার সীমিত করলে অন্যান্য সেবা প্রত্যাশীরা ভোগান্তির মুখে পড়েন বলে অভিযোগ উঠেছে।
আলোচিত বোট ক্লাবে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার মামলার তদন্তের স্বার্থে চিত্রনায়িকা পরীমণিকে সাভার মডেল থানায় ডাকা হয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে সাভার মডেল থানায় পৌঁছান এই অভিনেত্রী। সেখানে চার ঘণ্টা থাকার পর সন্ধ্যা ৭টার দিকে থানা থেকে বের হন পরীমণি।
সাংবাদিকদের এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহিল কাফী।
আব্দুল্লাহিল কাফী জানান, পরীমণির মামলায় সাভার থানা হাজতে পাঁচ দিনের রিমান্ডে রয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য, উত্তরা ক্লাবের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও আবাসন ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন ও পরীমণির বন্ধু তুহিন সিদ্দিকী অমি। রিমান্ডে থাকাবস্থায় জিজ্ঞাসাবাদে তাদের কাছ থেকে তদন্তকারী কর্মকর্তা যেসব তথ্য পেয়েছেন তা যাচাই করতেই পরীমণিকে থানায় ডেকে আনা হয়েছিল।
গত ৯ জুন সাভারের বিরুলিয়া ঢাকা বোটক্লাবে পরীমণিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। এরপর ১৪ জুন সাভার মডেল থানায় নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও অমিসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন পরীমণি।