চট্টগ্রামে তরুণ ও যুবকরা করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন বেশি। তবে মারা যাচ্ছেন বেশি বয়স্করা। বুধবার পর্যন্ত মারা গেছেন ৫৪৫ জন। এর মধ্যে ৪৩৩ জনই পঞ্চাশোর্ধ্ব, যা মোট মৃত্যুর ৮০ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি মারা গেছেন চট্টগ্রাম নগরের বাসিন্দা। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন পাঁচজন। এই সময়ে ১ হাজার ৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১৪২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ১১৩ জন নগরের ও ২৩ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।
সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র জানায়, বুধবার পর্যন্ত চট্টগ্রামে মোট আক্রান্ত ৫০ হাজার ৬২০ জন। এর মধ্যে ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সী আক্রান্তের হার ২৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ। ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সীর হার ১৯ দশমিক ৫৯ এবং ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সীর হার ১৮ দশমিক ৪৪ শতাংশ।
চট্টগ্রামে বুধবার পর্যন্ত মারা গেছেন ৫৪৫ জন। তাদের মধ্যে ৩০১ জন ষাটোর্ধ্ব, যা মোট মৃত্যুর ৫৫ দশমিক ৭৪ শতাংশ। এই বয়সের আক্রান্তের হার মাত্র সাড়ে ১৩ শতাংশ (৬ হাজার ৮৪২ জন)। ৫১ থেকে ৬০ বছর বয়সী মারা গেছেন ১৩২ জন, যা মোট মৃত্যুর ২৪ দশমিক ৬৭ শতাংশ। তাদের মধ্যে আক্রান্তের হার ১৫ দশমিক ২৪ শতাংশ (৭ হাজার ৬৯৪ জন)। আক্রান্তের দিক থেকে শীর্ষে থাকা ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সীদের মধ্যে মারা গেছেন ২৪ জন (৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ)। ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সী মারা যান ৬৭ জন (১২ দশমিক ৫২ শতাংশ)। এ ছাড়া শিশু অর্থাৎ শূন্য থেকে ১০ বছরের মধ্যে মারা গেছেন ৪ জন। ১১ থেকে ৩০ বছর বয়সী মারা গেছেন ১২ জন, যা মোট মৃত্যুর ২ দশমিক ২৩ শতাংশ। মোট মৃত্যুর ২৮ শতাংশ নারী (১৫২ জন)।
চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. আবদুর রব বলেন, করোনাভাইরাস বয়স্কদের খুব দ্রুত কাবু করছে। তাদের ফুসফুস সংক্রমিত হচ্ছে বেশি। এ কারণে মৃত্যুহারও বেশি। এ ছাড়া যাদের অন্যান্য রোগ রয়েছে তাদেরও মৃত্যুঝুঁকি বেশি।