জুলাই মাস থেকে করোনার ভ্যাকসিন প্রয়োগ করছে বলে দাবি করেছে চীন। গত শনিবার বিষয়টি নিয়ে প্রথম মুখ খোলেন বেইজিংয়ের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। জরুরি ব্যবহারের জন্য ভ্যাকসিনটি প্রয়োগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তারা।
চীনের ন্যাশনাল হেলথ কমিশন সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি সেন্টারের প্রধান ঝেং ঝংইউ গণমাধ্যমকে বলেন, দেশটির স্বাস্থ্যকর্মী, কিছু সরকারি চাকরিজীবী এবং সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসহ জরুরি ক্ষেত্রে কর্মরত মানুষদের ২২ জুলাই থেকে ভ্যাকসিনটি দেওয়া হচ্ছে। খবর এনডিটিভির
শীতে যেন এই ভাইরাসটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়তে না পারে তাই জনগণের শরীরে ইমিউনিটি তৈরির পদক্ষেপ হিসেবে ভ্যাকসিনটি প্রয়োগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঝেং ঝংইউ।
দেশটির টিকার এ ঘোষণা নিয়ে কূটনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে গত সপ্তাহে। পাপুয়া নিউগিনি বলছে, তারা একদল চীনের খনিজ শ্রমিককে তাদের দেশে প্রবেশ করতে দেয়নি। ওই শ্রমিকরা দাবি করেছিল তারা করোনার পরীক্ষামূলক ভ্যাকসিন নিয়েছে।
চীনের এ দাবি যদি সত্য হয় তাহলে বিশ্বে প্রথম ভ্যাকসিন তৈরির কৃতিত্ব তারাই দাবি করতে পাবে। কারণ রাশিয়ার চেয়ে তিন সপ্তাহ আগেই চীন মানুষের শরীর টিকা প্রয়োগ করছে।
তবে চীনের এই টিকাটি এখনও ক্লিনিয়ান ট্রায়ালে উত্তীর্ণ হয়নি বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, যে কোনো টিকা বাজারে আনতে কমপক্ষে এক বছর সময় লাগে। টিকার সুরক্ষা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে প্রচুর মানুষের ওপর তা প্রয়োগ করার প্রয়োজন হয়।