সারাদেশে রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে করোনার টিকা দেয়ার কর্মসূচি। ইতিমধ্যে টিকা দেয়ার প্রশিক্ষণসহ সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। দেশের ৬৪ জেলায় পৌঁছে গেছে করোনার টিকা। এই কাজে কয়েক হাজার স্বাস্থ্যকর্মী এবং সেচ্ছাসেবক প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। ঢাকা শহরে ৪৩টি হাসপাতালে ৩৫৪টি সেন্টারে টিকা দেয়া হবে। সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সেন্টার প্রস্তুত করা হয়েছে বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানায়।
এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম বলেছেন, সারাদেশে সব মিলয়ে ৬ হাজার ৬৯০টি টিম কাজ করবে। প্রতিটি বুথে দুইজন স্বাস্থ্যকর্মী ও চারজন স্বেচ্ছাসেবী থাকবেন। রোববার সারাদেশে টিকাদান কর্মসূচি শুরুর জন্য ইতোমধ্যে সব জেলায় টিকা পৌঁছে দেয়া হয়েছে। প্রথম মাসে ৬০ লাখ মানুষকে টিকা দেয়ার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছিল। এখন তার বদলে সরকার ফেব্রুয়ারিতে ৩৫ লাখ মানুষকে টিকা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। গত ৩ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মুখ্য সচিবের সভাপতিত্বে টিকা বিতরণ সম্পর্কিত একটি বৈঠক হয়েছে। বৈঠক থেকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানোর পর পরিকল্পনায় এ পরিবর্তন আনা হয়েছে।’
পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে বৈশ্বিক সরবরাহ পরিস্থিতিও বিবেচনায় নেয়া হয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, ‘আমরা চিন্তা করেছি, যদি কোন কারণে সাপ্লাই চেইন অব্যাহত রাখতে না পারি, তাহলে টোটাল ব্যবস্থাপনা ভেস্তে যাবে। সেজন্য আমরা হাতে থাকা টিকা অর্ধেক করে পুরোপুরি কমপ্লিট ডোজ দেয়ার ব্যবস্থা করছি।’
অর্থ বিভাগের চিঠিতে বলা হয়, চলতি বাজেটের ব্যয় বরাদ্দ থেকে মোট ৮৯ কোটি ৮৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা এ খাতে দেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে অর্থ বিভাগের যুগ্মসচিব মোহাস্মদ আবু ইউসুফ শুক্রবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিকদের বলেন, “স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে চলতি অর্থবছরের বাজেটে ‘করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলা তহবিল থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনূকুলে আপ্যায়ন ব্যয় কোডে এই বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।”