শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন

ডা. সাবরিনা দুই দিনের রিমাণ্ডে

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৪১ জন নিউজটি পড়েছেন

প্রথম জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্য গোপন করে দ্বিতীয় এনআইডি করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের বরখাস্ত চিকিৎসক ডা. সাবরিনা শারমিন ওরফে সাবরিনা আরিফ চৌধুরীকে ২ দিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার তার উপস্থিতিতে ঢাকার মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেন এর আদালতে শুনানী অনুষ্ঠিত হয়। শুনানী শেষে ২ দিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর করেন।

প্রসঙ্গত, গত ১ সেপ্টেম্বর তারিখে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মমিনুল ইসলাম ডা. সাবরিনাকে গ্রেফতার দেখিয়ে ৫ দিনের রিমাণ্ড দেওয়ার আবেদন করেন আদালতে। আদালত শুনানী শেষে ডা. সাবরিনার উপস্থিতিতে ৩ সেপ্টেম্বর পরবর্তী তারিখ ধার্য্য করেন। সেমতে বৃহস্পতিবার আসামীর উপস্থিতিতে রিমাণ্ড শুনানী অনুষ্ঠিত হয়। আদালত শুনানী শেষে আসামীকে গ্রেফতার দেখিয়ে ২ দিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর করেন।

রিমাণ্ড প্রতিবেদনে তদন্তকারী কর্মকর্তা উল্লেখ্য করেন যে, প্রাথমিক তদন্তে মামলার ঘটনার সাথে ডা. সাবরিনার জড়িত থাকার তথ্য প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। তাকে রিমাণ্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদে মামলার ঘটনার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদ্ঘাটন করা আবশ্যক। যাতে মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন হবে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে সাবরিনাকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন জানাচ্ছি। সাবরিনা কে বা কার সহায়তায় মিথ্যা তথ্য প্রদান করে দ্বিতীয়বার এনআইডি নিয়েছেন এবং তার হেফাজতে অন্য কোনো ভুয়া এনআইডি কার্ড আছে কিনা, থাকলে তা উদ্ধারসহ প্রকৃত ঠিকানা সংগ্রহ করে যাচাই, মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন ও ঘটনার চাহিদা মোতাবেক তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যে জিজ্ঞাসাবাদসহ সঙ্গে নিয়ে অভিযান পরিচালনার জন্য ৫ দিনের পুলিশ রিমাণ্ডের প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, ৩০ আগস্ট বাড্ডা থানায় ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে মামলাটি করেন গুলশান থানা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ মমিন মিয়া। ২০১০ সালের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইনের ১৪ ও ১৫ ধারায় এ মামলা দায়ের করেন।

অপরদিকে করোনার ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে প্রতারণার মামলায় জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরী ও সিইও আরিফুল হক চৌধুরীসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ অব্যাহত। বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনসারীর আদালতে উল্লেখিত আসামীদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ চলে। করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা না করেই ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগ এনে গত ২৩ জুন তেজগাঁও থানায় মামলাটি করেন কামাল হোসেন নামে এক ব্যক্তি। মা

উল্লেখ্য, গত ১২ জুলাই দুপুরে সাবরিনাকে তেজগাঁও বিভাগীয় উপ-পুলিশ (ডিসি) কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা না করেই ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে তেজগাঁও থানায় করা মামলায় গ্রেফতার করে পুলিশ। বর্তমানে তিনি কারাগারে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English