রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৫৬ অপরাহ্ন

ডিআইজি প্রিজনস পার্থ গোপালের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২০
  • ৫৩ জন নিউজটি পড়েছেন

ঘুষগ্রহণ ও অর্থপাচার আইনে হওয়া মামলায় সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের বরখাস্ত উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজনস) পার্থ গোপালের বিরুদ্ধে মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়নি।

আজ বুধবার (১৮ নভেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালত সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৫ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন।

এর আগে আসামি পার্থ গোপালকে আদালতে হাজির করা হয়। তবে এদিন মামলার সাক্ষী উপস্থিত না হওয়ায় দুদকের পক্ষে আদালতে সময়ের আবেদন করা হয়। এরপর আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৫ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন।

এদিকে গত ৪ নভেম্বর আদালত আসামি পার্থ গোপালের অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এর মধ্য দিয়ে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ শুরু হয়। এ সময় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১৮ নভেম্বর দিন ধার্য করেন আদালত। গত ৩১ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ দুদকের দেওয়া অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে ২৯ অক্টোবর অভিযোগ গঠন শুনানির দিন ধার্য করে মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এ বদলির আদেশ দেন।

এর আগে গত ২৪ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন ১৪ জনকে সাক্ষী করে আদালতে এ অভিযোগপত্র জমা দেন।

২০১৯ সালের ২৮ জুলাই কারাগারের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে পার্থ গোপাল বণিককে জিজ্ঞাসাবাদ করার এক পর্যায়ে অভিযানে যায় দুদক। বিকেলে ধানমন্ডির ভূতের গলিতে পার্থ গোপালের ফ্ল্যাট থেকে ৮০ লাখ টাকা উদ্ধার করে দুদক। এর পরই আটক করা হয় তাঁকে। পরদিন ২৯ জুলাই তাঁর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৬১ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ৪ (২) ধারায় দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলা দায়ের করে দুদক।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, বরখাস্ত কারা উপমহাপরিদর্শক পার্থ গোপাল বণিক সরকারি চাকরিতে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষের মাধ্যমে ৮০ লাখ টাকা অবৈধভাবে অর্জন করেন। এসব টাকা গোপন করে তাঁর নামীয় কোনো ব্যাংক হিসাবে জমা না রেখে বিদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে নিজ বাসস্থানে লুকিয়ে রেখে দণ্ডবিধির ১৬১ ধারা, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English