বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:০৫ অপরাহ্ন

দানে মোচন হয় না অবৈধ আয়ের পাপ

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ২৬ আগস্ট, ২০২১
  • ৫১ জন নিউজটি পড়েছেন
গণআজাবের কারণ-২

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কেয়ামতের দিন প্রত্যেক মানুষকেই জিজ্ঞাসা করা হবে যে, সে কীভাবে সম্পদ অর্জন করছে। অর্জিত সম্পদ বৈধ না অবৈধ উপায়ে উপার্জিত, সে হিসাব দিতে হবে। হিসাব দেয়ার আগে কোনো বান্দাকেই এক কদমও নড়তে দেয়া হবে না।

সমাজের বহু মানুষ অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করে এবং একই সঙ্গে তারা দান করে। এমন ব্যক্তির দান গ্রহণযোগ্য নয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, আল্লাহ পবিত্রতা ছাড়া নামাজ কবুল করেন না এবং আত্মসাতের সম্পদ থেকে দান করলে কবুল করেন না। (সহিহ মুসলিম, হাদিস ২২৪)

হারাম উপার্জনে পুষ্ট শরীর জান্নাতে যাবে না : জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, এমন শরীর কখনো জান্নাতে প্রবেশ করবে না, যা হারাম দ্বারা বর্ধিত। জাহান্নামই তার উপযুক্ত স্থান। (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ১৪৪৪১)

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কোনো বান্দা হারাম পদ্ধতিতে উপার্জিত অর্থ দান খয়রাত করলে তা কবুল হবে না এবং তা নিজ কাজে ব্যয় করলে বরকত হবে না। আর ঐ ধন তার উত্তরাধিকারীদের জন্য রেখে গেলে তা তার দোজখের পুঁজি হবে।’ (মিশকাত)

হাদিসের আলোকে বুঝা যায় যে-

– হারাম সম্পদ থেকে দান করা যাবে না। দান করলেও তা আল্লাহর দরবারে কবুল হবে না।
– হারাম সম্পদ নিজ কাজে ব্যয় করলেও তাতে বরকত হবে না।
– উত্তরাধিকারদের জন্য রেখে গেলেও তা হবে তার জন্য জাহান্নামের জ্বালানি।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English