জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনসহ দুর্নীতির যেকোনো অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য শোনার জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের মধ্যে থেকে নোটিশ দিতে পারে বলে আদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।
আদালত বলেছে, আইনের মধ্যে থেকে নোটিশ দেওয়া হলে তাতে ব্যক্তির মৌলিক অধিকারের খর্ব হয় না। বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
বৃহস্পতিবার আদেশের অনুলিপি প্রকাশ পায়। গত ৩ ডিসেম্বর দুদক নোটিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রূপার রিট খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। একইসঙ্গে আগামী ২৭ জানুয়ারির মধ্যে তাকে দুদকে হাজির হওয়ার জন্য সময় বেধে দেওয়া হয়। আদালত বলেছে, আমরা মনে করি দুদকের নোটিশে রিট আবেদনকারীর মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়নি।
গত ২৮ অক্টোবর দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম ডিএজি রূপাকে নোটিশ পাঠান। ওই নোটিশে বলা হয়, জান্নাতুল ফেরদৌসী রুপার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও জাল জালিয়াতির মাধ্যমে ঘুষ গ্রহণপূর্বক জিকে শামীমসহ বিভিন্ন আসামির সঙ্গে আঁতাত করে জামিন করিয়ে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়াসহ জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ। এ অবস্থায় উল্লিখিত অভিযোগ বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার লক্ষ্যে আগামী ৪ নভেম্বর সকাল ১০টায় রেকর্ডপত্র/কাগজপত্রসহ দুদকে হাজির হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো। এই নোটিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জান্নাতুল ফেরদৌসী রুপা। সরাসরি রিট খারিজের আদেশে এমন পর্যবেক্ষণ দিয়েছে বলে জানান দুদক কৌসুলি খুরশীদ আলম খান।