শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন

বরিশালে গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ১ এপ্রিল, ২০২১
  • ৬১ জন নিউজটি পড়েছেন
বরিশালে করোনা সংক্রমণের হার ৪৪ শতাংশ ছাড়িয়েছে

করোনা সংক্রমণ রোধে সরকারের ১৮ দফা নির্দেশনা বরিশালে পুরোপুরি উপেক্ষিত হচ্ছে। লঞ্চ, বাস ও নগরীর অভ্যন্তরে গণপরিবহন এবং প্রধান প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র ও বাজারে কোথাও স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো প্রবণতা দেখা যায়নি। মাস্ক ছাড়াই রাস্তায় এবং গণপরিবহনে চলাচল করছে মানুষ। শারীরিক দূরত্ব অনুসরণও হচ্ছে না। লঞ্চ, বাস ও গণপরিবহনে ধারন ক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী পরিবহনের নির্দেশনা থাকলেও বরিশালে এ নিয়মের তোয়াক্কা করছে না কেউ।

বরিশালে করোনা পরিস্থিতি দিন দিন অবনতি হচ্ছে। বৃহস্পতিবার বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেলের করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিলো ১০০ জন রোগী। এর মধ্যে করোনা সনাক্ত হয়েছে ২৬ জনের। অন্যারা রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছেন। গত বুধবার হাসপাতালে রোগী ভর্তি ছিলো ৯৩ জন। যার মধ্যে করোনা সনাক্ত হয়েছে ২৫ জনের।

গত ২৪ ঘন্টায় শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজের আরটি পিসিআর ল্যাবে ১৮১ জনের নমূনা পরীক্ষায় করোনা সনাক্ত হয়েছে ৪০ জনের। সনাক্তের হার প্রায় ১৮ ভাগ। এর আগের ২৪ ঘন্টায় ১৮১ জনের নমূনা পরীক্ষায় করোনা সনাক্ত হয়েছে ২৭ জনের। সনাক্তের হার ছিলো ১৪ ভাগ। এমন অবস্থায় করোনা থেকে জনগনকে সুরক্ষায় ১৮ দফা নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।
জনসমাগম না করা, শারীরিক দূরত্ব অনুসরন, মাস্ক ব্যবহার, বারবার হাত ধোয়া এবং গনপরিবহনে ধারন ক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী পরিবহনের মাধ্যমে শারীরিক দূরত্ব অনুসরন সহ মাস্ক ব্যবহারের নির্দেশনা রয়েছে সরকারের।

কিন্তু বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বরিশাল নদী বন্দর থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে যাওয়া এবং বিভিন্ন জায়গা থেকে নদী বন্দরে আসা লঞ্চে শারীরিক দূরত্ব অনুসরন করতে দেখা যায়নি। অনেক যাত্রীই মাস্ক ব্যবহারে আগ্রহী নয়। যাত্রী না কমানোয় বাড়েনি লঞ্চ ভাড়াও। তবে করোনা সংক্রামন রোধে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা জরুরী বলে মনে করেন যাত্রীরা। যাত্রীরা স্বাস্থ্য বিধি রক্ষার দাবী জানালেও নানা অজুহাতে শুধু সময় ক্ষেপন করছেন লঞ্চ কর্তৃপক্ষ।

সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে বরিশাল নদী বন্দরে বন্দর কর্তৃপক্ষ কিংবা জেলা প্রশাসনের দৃশ্যমান কোন তৎপরতা দেখা যায়নি। যদিও সরকারি নির্দেশনা বাস্তাবায়নে নদী বন্দর কর্তৃপক্ষ স্বোচ্চার রয়েছে বলে দাবী নদী বন্দরের সহকারী পরিচালক মো. রিয়াদ হোসেনের।

এদিকে লঞ্চের মতো একই চিত্র বরিশালের দূরপাল্লা ও অভ্যন্তরীন রুটের বাসে এবং নগরীর অভ্যন্তরের গনপরিবহনেও। হাট-বাজারসহ প্রধান প্রধান বানিজ্যিক কেন্দ্রেও দেখা গেছে একই চিত্র।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English