সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গেও একই রকম সৌজন্য রক্ষা করা হবে কীনা এবং তিনি গোয়েন্দা তথ্য পাবেন কীনা। এ বিষয়ে প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন, আমি সেটা মনে করি না।
তিনি বলেন, ট্রাম্পের বেখেয়ালী আচরণের কারণেই তার গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া উচিত নয়। তিনি বলেন, আমি মনে করি না যে, ট্রাম্পকে গোয়েন্দা বিফ্রিং দেয়ার প্রয়োজন আছে। প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণের পর প্রথমবার সাক্ষাতকারের মুখোমুখি হয়ে এভাবেই ট্রাম্পের বিষয়ে কথা বলেছেন বাইডেন।
ট্রাম্পকে গোয়েন্দা প্রতিবেদন দেখার অনুমতি দেওয়া হলে কি হতে পারে সে বিষয়ে বাইডেনের সবচেয়ে খারাপ আশঙ্কা কী হবে তা নিয়ে তিনি কিছু বলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। কিন্তু এটা পরামর্শ দিয়েছিলেন যে, এই সাবেক প্রেসিডেন্টকে গোপনীয় কোনো তথ্য জানালে তিনি তা নিজের মধ্যে রাখতে পারবেন না।
তাকে গোয়েন্দা তথ্য দিলে তিনি যদি এ বিষয়টি প্রকাশ করেন বা ভুলক্রমে কোনো তথ্য ফাঁস করে দেন তাহলে? এই প্রথম কোনো সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্টকে গোয়েন্দা তথ্য দেয়া হবে কিনা সে বিষয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে। এর আগে কোনো প্রেসিডেন্টকে তথ্য দেয়ার বিষয়ে কোনো ধরনের আশঙ্কা ছিল না।