বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪৩ অপরাহ্ন

বিকেএসপির সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় বিসিবি

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২০
  • ৬৯ জন নিউজটি পড়েছেন

২০২২ সালের শুরুতে আরেকটি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ। যেখানে চ্যাম্পিয়ন দল হিসেবে খেলবে বাংলাদেশ। বিশ্ব পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে এতদিনে পরবর্তী বিশ্বকাপের জন্য দল গঠনের প্রস্তুতি শুরু হয়ে যেত। কভিড-১৯ মহামারির কারণে সে প্রক্রিয়া কিছুটা পিছিয়ে গেলেও আগস্টে দল গড়ার কাজে হাত দেবে বিসিবি। ৪৫ ক্রিকেটারকে নিয়ে বিকেএসপিতে কন্ডিশনিং ক্যাম্প করার পরিকল্পনা বোর্ডের।

ক্যাম্পের অনুমতি চেয়ে বুধবার বিকেএসপিকে চিঠিও দিয়েছে বিসিবি। দেশের স্বার্থে বিকেএসপির কাছ থেকে ইতিবাচক সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করছে ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা। বিকেএসপি কর্তৃপক্ষও বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখার কথা ভাবছে। প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. রাশীদুল হাসান জানান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেলের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত জানাবেন তারা।

করোনাভাইরাসের কারণে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো বিকেএসপিতেও চলছে ছুটি। সেপ্টেম্বরের আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সম্ভাবনা খুবই কম। সেদিক থেকে বিকেএসপিতে অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলের ক্যাম্প করা বেশ নিরাপদ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি), স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গাইডলাইন মেনে ৪৫ ক্রিকেটারকে নিয়ে তিন থেকে চার সপ্তাহের ক্যাম্প করার পরিকল্পনা বোর্ডের।

বিসিবি ন্যাশনাল গেম ডেভেলপমেন্টের ম্যানেজার আবু ইমাম মো. কাওসার বলেন, ‘আমরা ক্রিকেটার এবং সাপোর্ট স্টাফদের মিরপুরে রেখে করোনা পরীক্ষা করাব। যারা স্বাস্থ্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবে তারা ক্যাম্পে যোগ দেবে। বিকেএসপি চাইলে বাবুর্চিও বিসিবি থেকে নেওয়া হবে। একবার ক্যাম্পে ঢুকলে কেউ আর ক্যাম্পাস থেকে বের হতে পারবে না এবং বাইরে থেকে কেউ ক্যাম্পাসে যেতে পারবে না। আমরা বিকেএসপির উত্তরের অপেক্ষায় আছি।’

১৬ থেকে ১৯ আগস্ট এই চার দিন ক্রিকেটারদের মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে ডাকা হবে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য। করোনা পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের বিকেএসপির ক্যাম্পে নেওয়ার পরিকল্পনা ২০ আগস্ট। ২১ আগস্ট থেকে কন্ডিশনিং ক্যাম্প শুরু। ফিটনেস ও স্কিল ট্রেনিং হবে তিন সপ্তাহ। এরপর কিছু ম্যাচ খেলে ৪৫ জনের স্কোয়াড ছোট করা হবে ৩০ জনে। এই ক্যাম্পের অনুমতির ব্যাপারে বিকেএসপির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. রাশীদুল হাসান বলেন, ‘বিসিবির কাছ থেকে চিঠি পেয়েছি। মৌখিকভাবে আমরা বর্তমান পরিস্থিতির কথা জানিয়েছি তাদের। আমাদের ছাত্রছাত্রীরা থাকলে ক্যাম্পের ব্যবস্থা করা সহজ হতো। এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। মন্ত্রণালয়ে কথা বলে এবং নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধান করা যাবে।’

মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়াম থাকতে বিকেএসপিতে ক্যাম্প করতে চাওয়ায় নিমরাজি প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা। হোম অব ক্রিকেটে যে জাতীয় দল এবং এইচপির প্রশিক্ষণ হবে সেটা জানা নেই বিকেএসপি কর্মকর্তাদের। গতকাল বিষয়টি জানার পর একটু হলেও জাতীয় স্বার্থের কথা গুরুত্বসহকারে ভাববেন তারা।

এদিকে, আগামী ১০ আগস্ট থেকে মিরপুরে বিসিবি একাডেমিতে ক্যাম্প হতে পারে এইচপি ক্রিকেটারদের। শ্রীলঙ্কা যাওয়ার আগে ফিটসেন ও স্কিল প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে ঢাকায়। এইচপি চেয়ারম্যান নাঈমুর রহমান দুর্জয় বলেন, ‘জাতীয় দল আর এইচপি একই সময়ে শ্রীলঙ্কায় ক্যাম্প করলে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে পারবে। কারণ শ্রীলঙ্কা খুব বেশি ক্রিকেটারকে সম্পৃক্ত করবে না। তাই দুটি দল এক সময়ে শ্রীলঙ্কা গেলে ম্যাচ খেলতে পারবে।’

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English