কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মাণাধীন ভাস্কর্য ভাঙচুরের পর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য, ম্যুরাল ও স্মারক স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এরই মধ্যে ঢাকা মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে মাঠ পর্যায়ের সব পুলিশ সদস্যকে নজরদারি বাড়ানোর ব্যাপারে নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সাদা পোশাকে থাকবে গোয়েন্দা নজরদারিও।
ঢাকা মহানগর পুলিশের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, সব থানার ওসি ও অন্যান্য পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (সিটি এসবি) আবদুল ওয়ারিশ খান জানান, পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশনা মোতাবেক চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ও ম্যুরালের সুরক্ষায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। প্রতিটি স্থানে পুলিশ সদস্যদের সর্বক্ষণ নজরদারির দায়িত্বে রাখা হয়েছে।
খুলনা মহানগরী ও জেলায় স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য, ম্যুরাল ও স্মারক স্থাপনায় রোববার বিকেল থেকেই এসব স্থাপনায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়। গতকাল থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন পুলিশ সদস্যরা।
খুলনা মহানগর ও জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, খুলনা মহানগরীতে ১৭টি ও জেলার নয়টি, উপজেলায় ১২টি বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য, ম্যুরাল ও প্রতিকৃতি রয়েছে। এই ২৯টি স্থাপনার নিরাপত্তার সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেপের সুরক্ষায়ও পুলিশ দায়িত্ব পালন করবে। খুলনা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) কানাই লাল সরকার জানান, গতকাল ভোর থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টা নিশ্ছিদ্র্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলবৎ থাকবে।
পটুয়াখালীতে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের নিরাপত্তায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক কার্যালয় সম্মুখে সোনালী ব্যাংক মোড়ের গোলচত্বরে নির্মিত বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গতকাল সকালে পটুয়াখালী পৌর কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ভাস্কর্য এবং এর আশপাশের এলাকায় এসব সিসি ক্যামেরা স্থ্থাপন করা হয়। পটুয়াখালী পৌরসভার মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ জানান, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে পৌরসভার উদ্যোগে সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে।