শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:২৪ অপরাহ্ন

মামুনুল হকসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা তদন্তের নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ৪৮ জন নিউজটি পড়েছেন
বছরে ৬ কোটি টাকা লেনদেন মামুনুল হকের অ্যাকাউন্টে

রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে তাণ্ডবের ঘটনায় হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব মামুনুল হকসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ধীমান চন্দ্র মণ্ডলের আদালত এ নির্দেশ দেন। এদিন আদলত মামলার এজাহার গ্রহণ করে আগামী ২৭ শে মে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য তারিখ ধার্য করেন।

মামুনুল হক ছাড়াও এ মামলার অন্য আসামীরা হলেন, হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা লোকমান হাকিম, যুগ্ম মহাসচিব নাসির উদ্দিন মনির, নায়েবে আমির মাওলানা বাহাউদ্দিন জাকারিয়া, মাওলানা নুরুল ইসলাম জেহাদী, নায়েবে আমির ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা সাজেদুর রহমান, লালবাগের মাওলনা হাবিবুর রহমান, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী, মাওলানা জসিম উদ্দিন, মাওলানা মাসুদুল করিম, মুফতি মনির হোসেন কাসেমী, মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়েজী, মাওলানা ফয়সাল আহমেদ, মাওলানা মুশতাকুন্নবী, মাওলানা হাফেজ মোহাম্মদ জোবায়ের, মাওলানা হাফেজ মোহাম্মদ তৈয়ব।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মতিঝিল জোনের সহকারী কমিশনার জাহিদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, মামুনুল হকসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে। পুরান ঢাকার বাসিন্দা আরিফ-উজ-জামান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন। এ মামলার অজ্ঞাতনামা আসামির সংখ্যা দুই থেকে তিন হাজার। আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, হেফাজত ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বে শীর্ষস্থানীয় জামায়াত-শিবির, বিএনপি, হেফাজত নেতারা ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গোপন বৈঠকে মিলিত হয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে দেশি-বিদেশি সরকার প্রধান ও রাষ্ট্রপ্রধানদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিকে বানচাল করতে ঢাকাসহ সারা দেশে ব্যাপক তা-ব চালিয়ে নৈরাজ্য সৃষ্টির পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্র করেন। আসামীরা দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রসহ দা, ছোরা, কুড়াল, কিরিচ, হাতুড়ি, তলোয়ার, বাঁশ, গজারি লাঠি, শাবল ও রিভলভার, পাইপগানসহ অন্যান্য অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সাধারণ মুসল্লিদের ওপর হামলা করে। ওই দিন স্থানীয় জনতার শক্ত প্রতিরোধের কারণে হেফাজত নেতাকর্মীরা পিছু হটেন। তারা দুটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেন।
এছাড়া তারা টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করেন। বায়তুল মোকাররম মসজিদের আশপাশের দোকানে হামলা চালিয়ে লুটপাট এবং অগ্নিসংযোগ করেন। আসামিরা বায়তুল মোকাররমসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তাণ্ডব চালিয়ে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেন।

মামলার বাদী আরিফ-উজ-জামান অভিযোগ করেন, মাওলানা মামুনুল হকের নির্দেশে মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব তার হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত করেন। পরে তিনি আমার ডান হাঁটু পিটিয়ে জখম করেন। এ সময় আমি মাটিতে পড়ে গেলে মাওলানা লোকমান হাকিম ও নাসির উদ্দিন মনির তাদের হাতে থাকা বাঁশের লাঠি দিয়ে আমাকে পিটিয়ে আহত করেন। একপর্যায়ে মাওলানা বাহাউদ্দিন জাকারিয়া তার হাতে থাকা ধারালো কিরিচ দিয়ে আমার মাথার পেছনে আঘাত করেন। পরে নুরুল ইসলাম জিহাদী বাঁশের লাঠি দিয়ে বাম বাহুতে পেটান।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English