পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ির এক মধ্যবিত্ত পরিবারে বেড়ে উঠেছেন টালিউডের অন্যতম অভিনেত্রী ও সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। তবে আজকের সফল একজন অভিনেত্রীর তকমা পেতে তাকে কম কষ্ট করতে হয়নি! ছোটবেলা থেকে মিমির ইচ্ছা বড় অভিনেত্রী হওয়ার। সেই মোতাবেক বাড়িতে পড়ালেখার মিথ্যে কথা বলে কলকাতায় এসেছিলেন তিনি।
শুক্রবার থেকে হইচই প্ল্যাটফর্মে দেখা যাচ্ছে মিমি চক্রবর্তী ও অনির্বাণ ভট্টাচার্য অভিনীত ‘ড্রাকুলা স্যার’। ছবিটির ওয়েব প্রিমিয়ারের আগে এক সাক্ষাৎকারে কলকাতা আসার সেই কাহিনী বলেন তিনি।
মিমি বলেন, ‘১১ বছর হয়ে গেলো ইন্ডাস্ট্রিতে আমার। স্বপ্ন ছিল অভিনেত্রী হব। একা লড়াই করেছি এই জায়গাটায় আসার জন্য। প্রথমে মিথ্যা কথা বলে এসেছি, বলেছিলাম পড়াশোনা করতে যাচ্ছি কলকাতায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাড়ি থেকে মাত্র ৩ হাজার রুপি পাঠাতো। সেটা দিয়ে পিজির ভাড়া দেব কিভাবে আর খাব কী? নতুন জামা কিনবোই বা কি দিয়ে? আর অডিশনে কী করে যাব! হতো না। এক বছর ধীরে ধীরে সবকিছু গোছালাম। প্রথমে মডেলিংয়ে সুযোগ পাই, তারপর সিরিয়াল, তারপর ফিল্ম।’
এভাবে এক বছর চলার পর ছোটপর্দায় আসে ‘গানের ওপারে’ অধ্যায়। ২০১২ সালে ‘বাপি বাড়ি যা’ সিনেমার মাধ্যমে শুরু করেন বড়পর্দার যাত্রা।
মিমির আগামী ছবি ‘বাজি’। এতে জিতের বিপরীতে অভিনয় করেছেন মিমি। অভিনয়ের পাশাপাশি যাদবপুর কেন্দ্রের সাংসদের দায়িত্বও পালন করছেন তিনি। সবদিক সামলেই সিনেমায় অভিনয় করছেন।