ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলার শেখপাড়া গ্রামে মৃত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী উলফাৎ আরা তিন্নীর পোষ্টমর্টেম রিপোর্ট কুষ্টিয়া থানাতে দিয়েছে কুষ্টিয়া হাসপাতাল থেকে।
এব্যাপারে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ তাপস কুমার সরকারের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন,মেডিকেল পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়নি। গলায় ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যার আলামত পাওয়া গেছে। ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আনোয়ার সাঈদ বলেন, এখনো পোষ্টমর্টেম রিপোর্ট ঝিনাইদহ পুলিশের হাতে পৌঁছেনি। কুষ্টিয়া পুলিশ অফিস হয়ে তাদের কাছে আসবে।
এদিকে তিন্নী ধর্ষণ ও আত্নহত্যায় প্ররোচনা মামলার প্রধান আসামী তার মেঝ বোন মিন্নীর তালাক প্রাপ্ত স্বামী জামিরুল গতকাল সোমবার পর্যন্তও অধরা ছিল। পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়েও তাকে ধরতে পারেনি।
বৃহস্পতিবার রাতে জামিরূল দলবল নিয়ে তিন্নীদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। তিন্নীর মা হালিমা খাতুন শুক্রবার রাতে শৈলকুপা থানায় নারি নির্যাতন আইনে মামলা করেন। মামলার এজাহারে অভিযোগ করেন জামিরুল ঘরে ঢুকে তিন্নীকে ধর্ষণ করে। এ দুঃখ ও অপমান সইতে না পরে সে আত্নহত্যা করে। পুলিশ এ ঘটনায় ৪ জনকে গ্রেফতার করে। এ মামলায় ৮ জনকে এজাহার নামীয় ও ৪ – ৫ জনকে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিকে আসামী করা হয়।