রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:০৫ পূর্বাহ্ন

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে ঢাবিতে অটোমেশন শুরু

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২০
  • ৪৬ জন নিউজটি পড়েছেন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘হিসাব অটোমেশন’ উদ্বোধন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সরাসরি নির্ধারিত ব্যাংকে কার্যক্রম পরিচালনায় সৃষ্ট ভোগান্তি থেকে রক্ষা পাবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। অটোমেশন কার্যক্রমের মাধ্যমে এখন থেকে ব্যাংকে যেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক লেনদেন পরিচালনার পাশাপাশি মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে লেনদেনের সুযোগ পাবেন তারা।

বুধবার অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাশরুমে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান আনুষ্ঠানিকভাবে এই হিসাব অটোমেশনের উদ্বোধন করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রোভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো: হাসানুজ্জামান, হিসাব সংক্রান্ত কম্পিউটারাইজেশন কমিটির (বিশেষজ্ঞ কমিটি) আহ্বায়ক অধ্যাপক শান্তি নারায়ণ ঘোষ ও কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো: মোস্তাফিজুর রহমান।

এ সময় ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, এই অটোমেশন কার্যক্রমের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় গতিশীলতা আসবে এবং সকল ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। তিনি অটোমেশন প্রক্রিয়ার আপডেট ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, প্রশাসনের সকল স্তরে এই সুবিধা পৌঁছে দিতে হবে।

উল্লেখ্য, এর আগে অনলাইনে সনদ উত্তোলনের পদ্ধতি চালু করা হলেও শুধু টাকা জমা দিতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরকে হল থেকে টিএসসির জনতা ব্যাংক এবং প্রশাসনিক ভবনে একাধিকবার যাতায়াত করতে হতো। তবে এই অটোমেশনের আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ডিজিটালাইজড রসিদ সংগ্রহের মাধ্যমে তাদের বেতন ও যাবতীয় ফিসের টাকা জনতা ব্যাংকের যে কোনো শাখায় জমা দিতে পারবে।

এছাড়া তারা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমেও যে কোনো বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্ড বা মোবাইল ব্যাংকিং যেমন- বিকাশ, রকেট, নগদ ও শিওরক্যাশ ইত্যাদির সাহায্যে যে কোনো স্থান থেকে যে কোনো সময়ে জমা দিতে পারবে।

টাকা জমা দেয়া হলে তাৎক্ষণিকভাবে জমার তথ্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাবে নির্ভুলভাবে সন্নিবেশিত হবে। এই অটোমেশনের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল খাতের আয়-ব্যয়, বিভিন্ন খাতের আর্থিক বিবরণী ও অর্থবছরের বাজেট দ্রুততম সময়ে তৈরি করা সম্ভব হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন, পেনশন, ইনকাম ট্যাক্স, ইন্স্যুরেন্স, ব্যাংক লোন, প্রভিডেন্ট ফান্ড, বেনিভোলেন্ট ফান্ড, শিক্ষকদের পরীক্ষা সংক্রান্ত বিল ও বিভিন্ন ট্রাস্ট ফান্ডের হিসাব ইত্যাদি এই অটোমেশনের ফলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হবে। এছাড়া, সরকারের বিভিন্ন দফতর বা সংস্থার চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন আয় ব্যায়ের হিসাব বিবরণী দ্রুততম সময়ে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ পরিচালিত ‘ডিইউ-এআইএস প্রজেক্ট’ -র মাধ্যমে ১৫টি সফটওয়্যার মডিউলের সমন্বয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অটোমেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English