ঝিনাইদহের শৈলকুপায় রাতের আঁধারে গালিগালাজ, চুলা, ভাতের হাড়ি ও ঘরের বেড়া ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। রোববার রাতে এই ঘটনা ঘটেছে পৌর এলাকার খালকুলা গ্রামের ইউনুস সর্দারের বাড়িতে।
ঝিনাইদহের শৈলকুপা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে এই তাণ্ডব চালানো হয়ে বলে অভিযোগ পরিবারটির।
এ বিষয়ে ইউনুস সর্দারের স্ত্রী হাসিনা বেগম জানান, পারিবারিকভাবে তারা আওয়ামী লীগ সমর্থক। পৌরসভা ভোটে নৌকা মার্কার কর্মী হিসাবে তার স্বামী-সন্তানসহ সবাই কাজ করছে।
তিনি বলেন, রোববার রাত ৮টার দিকে ভাত খেতে বসেছি। এমন সময় ছোট ছেলে দৌড়ে এসে বলে মা চার গাড়ি পুলিশ এসেছে। এসময় পুলিশ বাড়ি ঘিরে জিজ্ঞাসা করতে থাকে এটা কি ইউনুস সর্দারের বাড়ি? হ্যাঁ বলার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ সদস্যরা গালিগালাজ করতে শুরু করে। এক পর্যায়ে পানির কলস, ভাতের হাড়ি, চুলা, ঘরের বেড়া ভাঙচুর শুরু করে। এ সময় শৈলকুপা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলামসহ ২০/৩০ জন পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
ভোট নিয়ে আ’লীগ থেকে বহিষ্কৃত বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থীর এক কর্মীর সঙ্গে নৌকা মার্কার কর্মীদের হাতাহাতির সূত্র ধরে তার বাড়িতে প্রতিরাতে পুলিশের উপস্থিতি ও অকথ্য গালিগালাজ ও মহিলা পুলিশ নিয়ে এসে ধরে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ইউনুস সর্দার জানান, পারিবারিকভাবে তারা আওয়ামী লীগ কর্মী। নৌকার পক্ষে কাজ করায় তার বাড়িতে প্রতিদিন পুলিশ তাণ্ডব চালাচ্ছে।
তিনি বলেন, বাড়িতে খেতেও যেতে পারি না। প্রতি রাতে স্ত্রীকে ধরে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দিচ্ছে পুলিশ।
এ বিষয়ে জানতে শৈলকুপা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করবেন না বলে জানান।