১. সিভির তথ্যবিন্যাস অগোছালো থাকাটা মস্তবড় ভুল। এ ছাড়া আরেকজনের কাছ থেকে সিভির নমুনা নিয়ে তথ্য ও বানান ঠিক না করেই চাকরির জন্য জমা দিয়ে দেন অনেকে। নিয়োগকর্তারা এসব প্রার্থীকে ‘অযোগ্য’ হিসেবে বিবেচনা করেন। কারণ যাঁরা নিজের সিভির ব্যাপারেই যত্নবান না, তাঁরা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বের ব্যাপারে আর কতটা সিরিয়াস হবেন!
২. কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে পড়াশোনা করা প্রার্থী অনেক সময় তাঁর গণ্ডির বাইরেও চাকরির আবেদনের সুযোগ পান। এ ক্ষেত্রে সিভি শুধু একটি সেক্টরকে লক্ষ্য করে প্রস্তুত করা হলেও ভিন্ন সেক্টরে আবেদনের সময় সে অনুযায়ী তথ্য সাজানো উচিত। তবে কোনো ভুল বা মিথ্যা তথ্য দেওয়া যাবে না। আর একই সঙ্গে নিজেকে সম্ভাব্য সেক্টরগুলোর জন্য তৈরি করতে হবে।
৩. এখন কম্পিউটারের যুগ। প্রায় সব চাকরির বেলায়ই কম্পিউটারে কাজের প্রয়োজন হতে পারে। তাই কিছু কমন সফটওয়্যারের বেসিক কাজ জানা প্রার্থীরা বাছাইয়ে অগ্রাধিকার পান। অনেকে এসব সফটওয়্যার সম্পর্কে কিছু না জেনেই সিভিতে জুড়ে দেন। পরে যখন ইন্টারভিউর সময় এসব ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হয়, তখন এর কিছুই বলতে পারেন না।
৪. ই-মেইলে সিভি পাঠানোর সময় সাবজেক্ট অংশে চাকরির পদের নাম উল্লেখ করেন না অনেকে। ফলে নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা হয়তো ই-মেইলটি খেয়ালই করবেন না, আর দেখলেও এই ভুলটাকে প্রার্থীর অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করবেন। তা ছাড়া প্রার্থীর ছবি সিভির ভেতরে যুক্ত না করে ই-মেইলে আলাদাভাবে যুক্ত করে পাঠান, এটাও ঠিক না।