করোনার কারণে গত মার্চে বন্ধ হয়ে যায় দেশের সব খেলাধুলা। লকডাউনে চলে যায় পুরো দেশ। তবে গত মাসে উঠিয়ে নেওয়া হয় লকডাউন। খুলে দেওয়া হয় অফিস-আদালত। ইতোমধ্যে ইউরোপের চারটি দেশের ফুটবল লিগও শুরু হয়েছে। তবে বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কোনো ইভেন্টই শুরু হয়নি।
গত মাসে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি বলেছিলেন, জুলাইয়ে ক্রীড়াঙ্গনের লকডাউন খুলে দেওয়া হতে পারে। বিশেষ করে ইনডোর গেমসের খেলাগুলো শুরুর পরিকল্পনা তার। সেটা মাথায় নিয়ে গতকাল যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে ক্রীড়াঙ্গনে বন্ধ হওয়া ক্রীড়া কার্যক্রম পুনরায় চালু করার লক্ষ্য নিয়ে করণীয় বিষয়ে কয়েকটি ফেডারেশনের সঙ্গে এক জরুরি সভায় বসেন জাহিদ আহসান রাসেল এমপি।
সে সভায় সিদ্ধান্ত হয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতির পরই শুরু হবে দেশীয় খেলাধুলা। ‘যেসব ঘরোয়া খেলাধুলায় বডি কন্ট্রাক্ট নেই, সে খেলাগুলো আমরা পুনরায় শুরু করতে চাই। তবে তা অবশ্যই স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মতামতসাপেক্ষে। আমরা খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। আমরা আগামী সপ্তাহে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলব। তাদের মতামতসাপেক্ষে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে- বলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
জরুরি সভায় উপস্থিত ছিলেন সাঁতার, শুটিং, ভলিবল, ভারোত্তলন, হ্যান্ডবল, কারাতে, আরচারি, মহিলা ক্রীড়া সংস্থা ও তায়কোয়ানদো ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদকরা। আর ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দিয়েছিলেন বিওএ মহাসচিব সৈয়দ শাহেদ রেজা ও বিসিবির সিইও নিজামউদ্দিন চৌধুরী।