সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:০৪ পূর্বাহ্ন

হেফাজতের বিরোধ তুঙ্গে, আহমদ শফীপন্থিরা মাঠে

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৪৮ জন নিউজটি পড়েছেন

হেফাজতে ইসলামের প্রয়াত আমির শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুকে নিয়ে হেফাজতের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব-বিরোধ আবারো প্রকাশ্যে এসেছে। হেফাজতের মধ্যে চলমান সংকট আরো ঘনীভূত হয়েছে। হেফাজতের নবগঠিত কমিটির বিরুদ্ধে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছেন শফিপন্থি হেফাজতের পদবঞ্চিত সাবেক নেতারা।

শাহ আহমদ শফীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগ এনে গতকাল বৃহস্পতিবার আদালতে মামলা দায়ের করেছেন তার শ্যালক মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন। তিনি অভিযোগ করেছেন, ’৭১ সালের মতো যুদ্ধাপরাধীরা সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা চালিয়ে আহমদ শফীকে হত্যা করেছে। হেফাজতে ইসলামের নবনির্বাচিত কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব নানা কারণে বিতর্কিত মামুনুল হকের পরিকল্পনা এবং আরেক যুগ্ম-মহাসচিব নাসির উদ্দিন মুনিরের নেতৃত্বে আহমদ শফীকে ‘হত্যা’ করা হয়।

এদিকে, গত বুধবার এক সভায় শফিপন্থি আলেম-ওলামা এবং নবগঠিত হেফাজতের পদবঞ্চিত সাবেক নেতারা অভিযোগ করেছেন, ৭ বছর আগে ঢাকা অবরোধ কর্মসূচিতে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সংঘটিত পুরো ঘটনার দায়ভার হেফাজতের সে সময়ের মহাসচিব ও বর্তমান আমির জুনাইদ বাবুনগরীর। তৎকালীন আমির শাহ আহমদ শফীকে না জানিয়ে হেফাজতের নেতাকর্মীদের রাতভর শাপলা চত্বরে রাখেন তিনি। শফীপন্থি আলেম-ওলামারা দাবি করেছেন, আহমদ শফীর স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি। পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে। এজন্য বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি করেছেন তারা।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙার হুমকি দিয়ে সমালোচিত-বিতর্কিত হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে গতকাল শফীর শ্যালক মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন বাদী হয়ে চট্টগ্রামের তৃতীয় জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিপলু কুমার দের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। অভিযুক্তরা সবাই হেফাজতে ইসলামের বর্তমান আমির জুনাইদ বাবুনগরীর অনুসারী। বাদীর আইনজীবী আবু হানিফ বলেন, আসামিরা মানসিক নির্যাতন করে আহমেদ শফীকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছেন। মানসিক নির্যাতনের মাধ্যমে ক্রমাগতভাবে তাকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়া এবং হত্যার অভিযোগে ৩৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আদালত মামলা গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন। এক মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলেরও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরো ৮০-৯০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া সাক্ষী করা হয়েছে ৬ জনকে। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৪৩, ৪৪৮, ৪২৭, ১১৭, ৩২৩, ৩৪১, ৩৮০, ৩০৪, ৫০৬ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
আহমেদ শফীকে হত্যার পেছনে ‘উগ্রবাদী’ শক্তির হাত আছে দাবি করে মামলার বাদী মাইন উদ্দিন বলেন, ‘উগ্রবাদীরা এখানে জড়িত। বর্তমান হেফাজতের যে কমিটি করা হয়েছে সেখানে এই উগ্রবাদীদের নামও আছে। ’৭১-এর যুদ্ধাপরাধীদের কায়দায় সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে আমার ভগ্নিপতিকে হত্যা করা হয়েছে। আমার ছোট ভাগনে আনাস মাদানীকে বাবার জানাজায় পর্যন্ত যেতে দেয়নি।

মামলায় অভিযুক্তরা হলেনÑ হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব নাছির উদ্দিন মুনির ও মামুনুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী, সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক মীর ইদ্রিস এবং হাবিব উল্লাহ, আহসান উল্লাহ, জাকারিয়া নোমান ফয়েজী, নুরুজ্জামান নোমানী, আব্দুল মতিন, মো. শহীদুল্লাহ, মো. রিজওয়ান আরমান, মো. নজরুল ইসলাম, হাসানুজ্জামান, এনামুল হাসান ফারুকী, মীর সাজেদ, জাফর আহমদ, মীর জিয়াউদ্দিন, আহমদ, মাহমুদ, আসাদউল্লাহ, জোবায়ের মাহমুদ, এইচ এম জুনায়েদ, আনোয়ার শাহ, আহমদ কামাল, নাছির উদ্দিন, কামরুল ইসলাম কাসেমী, মোহাম্মদ হাসান, ওবায়দুল্লাহ ওবাইদ, জুবায়ের, মোহাম্মদ, আমিনুল হক, রফিক সোহেল, মোবিনুল হক, নাঈম, হাফেজ সায়েমউল্লাহ ও হাসান জামিল।

এদিকে, মামলার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় হেফাজতে ইসলামের প্রচার সম্পাদক জাকারিয়া নোমান ফয়েজী বলেন, যারা কাফেরদের সঙ্গে মিলে পথভ্রষ্ট হয়েছেন তারা এখন ভাত-কাপড় পাচ্ছেন না। তারাই বাতিলদের সঙ্গে মিলে এ মামলা করেছেন। আমরা সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাব।

মামলার আরজিতে অভিযোগ করা হয়েছে, আহমদ শফীর মৃত্যুর আগে ১১ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার বাবুনগর এলাকায় মামুনুল হকসহ আসামিরা বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে শফীপুত্র আনাস মাদানীকে মাদ্রাসার শিক্ষা পরিচালক থেকে বহিষ্কারের দাবি জানানো হয়। তাকে বহিষ্কার না করলে আহমদ শফীকে চরম মূল্য দিতে হবে বলে হুমকি দেয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় ১৬ সেপ্টেম্বর দুপুরে একদল উশৃঙ্খল ছাত্রকে মাঠে নামানো হয়। তারা আনাস মাদানীর বিরুদ্ধে উগ্র ধর্মীয় ভাষা ব্যবহার করে স্লোগান ও গালিগালাজ করে। আহমদ শফীর কার্যালয়ে অনধিকার প্রবেশ করে আসামি নাছির উদ্দিন মুনির ধমকের সুরে বলেন, তুই হচ্ছিস বুড়ো শয়তান, তুই মরবি না, তুই সরকারের দালাল। ৪০-৫০ জন শফীর কক্ষে গিয়ে আনাস মাদানীকে বহিষ্কার করে ওই পদে হেফাজতের বর্তমান আমির জুনাইদ বাবুনগরীকে বসানোর দাবি করেন। শফী রাজি না হওয়ায় মামুনুল হকের মোবাইলে নির্দেশমতে নাছির উদ্দিন মুনির তার দিকে তেড়ে যান, শফী বসা অবস্থায় চেয়ারে লাথি মারেন। নাকের অক্সিজেন টান দিয়ে খুলে ফেললে শফী অজ্ঞান হয়ে যান। এ সময় মাইকে ঘোষণা করা হয়, আনাস মাদানীকে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং শফী দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন। ওইদিন বিকেলে শফীকে জিম্মি করে আনাস মাদানীকে বহিষ্কার ও তার পদত্যাগের ঘোষণা মাইকে বলার জন্য চাপ দেন আসামিরা। তিনি অনীহা প্রকাশ করলে তার কক্ষের বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেয়া হয়। বিদ্যুতের অভাবে অক্সিজেন লাগাতে না পারায় শফী কোমায় চলে যান। তাকে হাসপাতালে নিতে বাধা দেয়া হয়। শেষ পর্যন্ত মাদ্রাসা থেকে বের করে হাসপাতালে নেয়ার অনুমতি দেয়া হলেও তাকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স আটকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়।

এজাহারে আরো বলা হয়, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, শফী কোমায় চলে গেছেন। পরের দিন ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকার আজগর আলি হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আরজিতে আরো বলা হয়েছে, আসামি নাছির উদ্দিন মুনির ও মামুনুল হকের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্ররোচনায় মাদ্রাসায় ভাঙচুর করে শাহ আহমদ শফীকে উত্তেজিত করার মাধ্যমে এবং ওনাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে না দেয়ার মাধ্যমে প্রাণে হত্যা করা হয়েছে। মাদ্রাসা অবৈধভাবে গ্রাস করার জন্য পূর্বপরিকল্পিতভাবে বিশ^বরেণ্য এই ইসলামী চিন্তাবিদকে হত্যা করেছে।

আরজিতে আরো বলা হয়েছে, ১৭ সেপ্টেম্বর আসামিদের কয়েকজনের নেতৃত্বে উশৃঙ্খল ছাত্ররা আনাস মাদানীর কক্ষে ঢুকে সেখান থেকে নগদ ২৮ লাখ টাকা, স্ত্রী ও মেয়ের ২০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে। মাওলানা ওমরের কক্ষ থেকে নগদ ৪০ লাখ টাকা, মুফতি ওসমানের কক্ষ থেকে নগদ ৬০ হাজার টাকা ও মাওলানা দিদারের কক্ষ থেকে ৩০ হাজার টাকা লুট করে।

অন্যদিকে, গত বুধবার সকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে প্রয়াত শাহ আহমদ শফীর জীবনকর্ম, অবদান শীর্ষক আলোচনা ও মতবিনিময় সভায় শফীপন্থি আলেম-ওলামারা দাবি করেন, হাটহাজারী মাদ্রাসায় হামলা-ভাঙচুর হয়েছে। আহমেদ শফীর ওপর নির্যাতন করা হয়েছে। গৃহবন্দি করে নির্যাতন করে শাহাদত বরণ করতে বাধ্য করা হয়েছে। খাবার, ওষুধ বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। অ্যাম্বুলেন্স বন্ধ ছিল। এটাই হত্যার মূল কারণ। আহমদ শফীর স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি। পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে। এজন্য বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি করেছেন তারা। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে হেফাজত ইসলামের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ও ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশের মহাসচিব মো. ফয়জুল্লাহ বলেন, কারা ঢাকায় বসে কিংবা ফটিকছড়ি-হাটহাজারীতে বসে ষড়যন্ত্র করেছে, সময়মতো জাতির কাছে সব প্রকাশ করা হবে। যারা ষড়যন্ত্র করেছে, মিথ্যাচার করেছে, যারা অর্থের জোগান দিয়েছে তারাই হেফাজত ইসলামের মূল শত্রু। আন্দোলনকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে। যেকোনো ধরনের ত্যাগ স্বীকারে আলেম-ওলামাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।

হেফাজত ইসলামের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মাইনুদ্দীন রুহী বলেন, হুজুরের (আহমেদ শফী) জীবদ্দশায় হাটহাজারী মাদ্রাসায় হামলা, ভাঙচুর করা হয়। হুজুরের ওপর নির্যাতন করা হয়। গৃহবন্দি করে ওনার খাবার-ওষুধ বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। হুজুর অসুস্থ হয়ে পড়লে ওনাকে হাসপাতালে নেয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্স আসতে বাধা দেয়া হয়। এভাবে নির্যাতন করে আহমদ শফী হুজুরকে শাহাদত বরণ করতে বাধ্য করা হয়েছে। মৃত্যুর আগে জুনাইদ বাবুনগরীও শফীকে অসম্মান করেন জানিয়ে তিনি বলেন, জুনাইদ বাবুনগরী ক্ষমতার লোভে অনেকের কাছে বলেছেন, এই বুড়া (শফী) এখনো মরছে না কেন, আমরা কখন আমির হবো? বাবুনগরী এর আগেও অনেকবার অনেকের সামনে হুজুরকে অসম্মান করেছেন। জালেমরা জুলুম-অত্যাচার চালিয়েছে শফী হুজুরের ওপর। হুজুরের সঙ্গে বেয়াদবি করেছে। এমনকি তাকে নির্মমভাবে আহতও করা হয়েছে।’

জুনাইদ বাবুনগরীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনি বহুরূপী। আপনার সঙ্গে আমার একসময় ভালো যোগাযোগ ছিল। আপনি হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। আপনি একজন বড় প্রতারক। রুমের মধ্যে এক রকম, রুমের বাইরে গেলে আরেকরকম। প্রশাসনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করেছেন।’

দেশের অনেক নিষিদ্ধ-বিতর্কিত সংগঠনের সঙ্গে বাবুনগরী হাত মিলিয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সময়মতো মুখ খুলব। তখন টিকে থাকতে পারবেন না। হেফাজতে ইসলামের কমিটি করেছেন। ১৫১ জনের কমিটির মধ্যে বাবুনগরীর আত্মীয় আছে ২২ জন। স্বজনপ্রীতি করে মেয়ের জামাই থেকে শুরু করে মামাতো ভাই, খালাতো ভাই সবাইকে কমিটিতে স্থান দিয়েছেন। হেফাজতের ইসলামের বর্তমান কমিটি ভেঙে দিয়ে সবাইকে নিয়ে নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

বক্তব্যে তারা বলেন, শফী হুজুরের ওপর জুলুম করা হয়েছে। আনাস মাদানী শফী হুজুরের সন্তান। অথচ তাকে তার বাবার জানাজায় আসতে দেয়া হয়নি। একজন সন্তান বাবার জানাজায় আসতে পারবে না। এর চেয়ে বড় জুলুম আর কি হতে পারে ?

গত ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় হেফাজতে ইসলামের আমির ও হাটহাজারী মাদ্রাসার দীর্ঘদিনের পরিচালক আহমদ শফী মারা যান। তার আগের দিন শফীর অব্যাহতি এবং তার ছেলে মাদ্রাসার সহকারী পরিচালক আনাস মাদানির বহিষ্কার দাবিতে মাদ্রাসায় বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীদের একটি অংশ। সেই দ্বন্দ্বের জেরে ১৭ সেপ্টেম্বর শূরা কমিটির বৈঠকে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মহাপরিচালকের পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন আহমেদ শফী। ওই বৈঠকে শফীর ছেলেসহ দুই শিক্ষককে অব্যাহতি দেয়া হয়। এর মধ্য দিয়ে হাটহাজারী বড় মাদ্রাসায় দৃশ্যত আহমদ শফীর সুদীর্ঘ দিনের কর্তৃত্বের অবসান ঘটে। সেই বৈঠকের পরপরই আহমদ শফীকে মাদ্রাসা থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে পাঠানো হয় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখান থেকে ঢাকায় নেয়া হলে পর দিন তিনি মারা যান। সেদিনই ঢাকায় সাংবাদিকদের শফীপুত্র আনাস মাদানি বলেছিলেন, আগের দিনের ‘অনাকাক্সিক্ষত’ ঘটনার ‘টেনশনের’ কারণে ‘হার্টফেইল’ করে তার বাবা মারা গেছেন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English