রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:২৯ অপরাহ্ন

৩০ দিনের মধ্যে লভ্যাংশ প্রদানের নির্দেশ

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৩৪ জন নিউজটি পড়েছেন

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির ঘোষিত লভ্যাংশ চূড়ান্ত অনুমোদনের ৩০ দিনের মধ্যে বিনিয়োগকারীদের বুঝিয়ে দিতে হবে। আর মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লভ্যাংশ ট্রাস্টির অনুমোদনের ৪৫ দিনের মধ্যে বিনিয়োগকারীদের বুঝিয়ে দিতে হবে। তবে কেউ লভ্যাংশ দাবি না করলে বা অপরিশোধিত থাকলে তা তিন বছর পরে কমিশনের নির্দেশিত ফান্ডে হস্তান্তর করতে হবে। সোমবার এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করেছে পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ইস্যুয়ার কোম্পানি লভ্যাংশ বিতরণের জন্য পলিসি গঠন করবে। যা বার্ষিক প্রতিবেদন ও কোম্পানির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করবে। কোম্পানিগুলোকে বার্ষিক বা চূড়ান্ত লভ্যাংশ অনুমোদনের ৩০ দিনের মধ্যে এবং অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ রেকর্ড ডেটের পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে শেয়ারহোল্ডারদের প্রদান করতে হবে। আর মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লভ্যাংশ ট্রাস্টির অনুমোদনের ৪৫ দিনের মধ্যে প্রদান করতে হবে।

এতে আরো বলা হয়েছে, পরিচালনা পর্ষদ বা ট্রাস্টির ঘোষণার ১০ দিনের মধ্যে নগদ লভ্যাংশ পৃথক ব্যাংক হিসাবে রাখতে হবে। এ নগদ লভ্যাংশ বিইএফটিএনর মাধ্যমে শেয়ারহোল্ডার বা ইউনিটহোল্ডারের ব্যাংক হিসাবে সরাসরি প্রদান করবে। ‘তবে স্টক ব্রোকার, মার্চেন্ট ব্যাংকার বা পোর্টফলিও ম্যানেজার মার্জিন ঋণগ্রহীতা গ্রাহক বা ডেবিট ব্যালেন্সের জন্য নগদ লভ্যাংশ চাইলে, কোম্পানি সমন্বিত কাস্টমারস ব্যাংক হিসাবে বা মার্চেন্ট ব্যাংক বা পোর্টফলিও ম্যানেজারের পৃথক ব্যাংক হিসাবে বিইএফটিএনের মাধ্যমে পাঠাবে’ বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

বিএসইসির এ নির্দেশনায় প্রবাসী উদ্যোক্তা, পরিচালক, শেয়ারহোল্ডার, ইউনিটহোল্ডার ও ফরেন পোর্টফলিও ইনভেস্টরদেরকে সব আইনকানুন মেনে সিকিউরিটি কাস্টডিয়ানের মাধ্যমে ইস্যুয়ারকে নগদ লভ্যাংশ প্রদান করতে হবে। নগদ লভ্যাংশ প্রদানের বিষয়টি শেয়ারহোল্ডার বা ইউনিটহোল্ডারদেরকে মোবাইলে এসএমএস বা ই-মেইলের মাধ্যমে জানাবে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি। যদি শেয়ারহোল্ডার বা ইউনিটহোল্ডারের ব্যাংক হিসাবের তথ্যের ঘাটতির কারণে বা বিইএফটিএনের মাধ্যমে নগদ লভ্যাংশ প্রদান করা সম্ভব না হয়, তাহলে ইস্যুয়ার কোম্পানিকে ‘ক্যাশ ডিভিডেন্ড ওয়ারেন্ট’ পাঠাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নির্দেশনায়।

এরপরেও যদি কোম্পানিতে অপরিশোধিত বা অদাবিকৃত নগদ লভ্যাংশ থাকে তাহলে লভ্যাংশ ঘোষণার বা রেকর্ড ডেটের এক বছরের মধ্যে লভ্যাংশের হিসাব রক্ষণাবেক্ষণের জন্য গঠিত পৃথক ব্যাংক হিসাবে ঐ নগদ লভ্যাংশ স্থানান্তর করতে হবে। তার আগে বার্ষিক প্রতিবেদনে ও প্রান্তিক প্রতিবেদনে ‘আনক্লেমড ডিভিডেন্ড একাউন্ট’ (দাবিবিহীন লভ্যাংশ হিসাব) শিরোনামে প্রকাশ করতে হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English