সম্প্রতি ‘অনন্যা শীর্ষদশ সম্মাননা ২০১৯’ প্রদান করা হয়। প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাবের কারণে অনলাইনে লাইভ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সম্মাননা প্রদান করা হয়। বরাবরের মতো এবারও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ এ সম্মাননা দেওয়া হয়। যারা পাহাড়সম প্রতিকূলতা ঠেলে নিজের জীবনে সফল হয়ে সমাজের নারীর অবস্থান দৃঢ় করার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন তাদের একজন ইতি খাতুন। তার জীবনযুদ্ধের খানিকটা জানাতে এই আয়োজন—
ইতি খাতুন (ক্রীড়া)
স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ইতির ধারেকাছে কেউ ঘেঁষতে পারত না। কিন্তু সেই ইতির যখন মাত্র ১২ বছর বয়স, তখন অভাবী ঘরের বাবা-মা বিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন তার। ইতি একরকম পালিয়ে চলে আসেন আর্চারির আশ্রয়তলে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) প্রতিভা অন্বেষণে আবিষ্কৃত হন ইতি।
সাধারণ হোটেল কর্মচারী বাবা ইবাদত আলী তখনো জানেন না তার মেয়ে হয়ে উঠবেন দেশের রত্ন, দক্ষিণ এশিয়ার বিস্ময়! এসএ গেমসের আগে জাতীয় প্রতিযোগিতায় ইতি ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন। সেখান থেকে এসএ গেমসে গিয়ে জেতেন হ্যাটট্রিক সোনা। ইতির স্বপ্নটা এখন আরো দূরে, অলিম্পিকে। আমাদের লাল-সবুজের পতাকা আরো উঁচুতে তুলে ধরুক, ইতি তার জীবনের অপার সম্ভাবনাকে শত ফুলে ফুটিয়ে তুলুক।