রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ন

অর্থনীতির ছয় চ্যালেঞ্জ

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ১ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৩৮ জন নিউজটি পড়েছেন

উদীয়মান বাঘ হিসেবে চিহ্নিত বাংলাদেশ। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিও ঈর্ষণীয়। বিশে^র কাছে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল। দেশে নিজস্ব অর্থায়নে তৈরি হচ্ছে মেগা প্রকল্প পদ্মা সেতু। এর সঙ্গে রেল সংযোগ প্রকল্পের কাজও চলছে পুরোদমে। এত অগ্রগতির মধ্যেও বিদায়ী বছরে দেশের অর্থনীতিতে আঘাত হানে করোনা মহামারি। গোটা বিশ্বের পাশাপাশি স্থবির হয়ে পড়ে দেশের অর্থনীতিও। বছরের শেষ সময়ে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা আরো জোরে আঘাত হানতে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। তাই মোটাদাগে আর্থিক খাত পুনরুদ্ধারে ভ্যাকসিনের প্রাপ্যতা ও বিতরণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করাসহ ৬ চ্যালেঞ্জ নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন বছর, ২০২১।

দেশের অর্থনীতির জন্য ২০২০ সাল ছিল সংকটময় একটি বছর। দেশে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ দেখা দেয়ার পর গত বছরের চার মাসেরও বেশি সময় উৎপাদন কর্মকাণ্ড প্রায় বন্ধ ছিল। ফলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে দেখা দেয় স্থবিরতা। ভঙ্গুর হয়ে পড়ে অর্থনীতি। এর মধ্যে কয়েক দফা বন্যা ও প্রাকৃতির দুর্যোগ মোকাবিলা করতে হয়েছে। প্রথম পর্যায়ের করোনার ক্ষতি মোকাবিলা তথা অর্থনীতির চাকা সচল রাখার জন্য সরকার ১ লাখ ২১ হাজার ৩৫৩ কোটি টাকার ১৯টি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে। প্রণোদনার প্যাকেজ ছিল মোট জিডিপির ৩ দশমিক ৭ শতাংশ। পরবর্তী সময়ে আবার কিছু বাড়ানো হয়। প্রথমে ৫০ বিলিয়ন ডলারের প্রণোদনা দেয়া হয় রপ্তানিমুখী শিল্প কারখানার জন্য। উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়া পোশাক কারখানার শ্রমিকদের বেতন-ভাতা দেয়ার জন্য। এছাড়া কয়েক বিলিয়ন টাকার পোশাক রপ্তানির আদেশ বাতিল হয়ে যায়। এসব কথা চিন্তা করে সরকার তড়িৎ এ সিদ্ধান্ত নেয়। আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এ বড় অঙ্কের টাকা বিতরণ করা হয়। নতুন বছরেও মহামারি মোকাবিলা করাই বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, করোনা মহামারি থেকে মুক্তি পেতে একমাত্র আশার আলো ভ্যাকসিন বা টিকা। নতুন বছরে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ভ্যাকসিনের প্রাপ্যতা ও বিতরণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে প্রথম ও দ্বিতীয় প্রণোদনা প্যাকেজ শতভাগ বাস্তবায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, রপ্তানি খাতে বৈশি^ক প্রভাব মোকাবিলা, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য অর্জন, ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা- সরকারকে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।

জানা গেছে, ২০২০ সালের শুরুটা ভালোই ছিল। অর্থনীতির সবগুলো সূচক ঊর্ধ্বমুখী ছিল। এ পরিস্থিতিতে প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক ২ শতাংশ অর্জন হবে- এমনটি প্রত্যাশা ছিল সরকারের। কিন্তু মার্চ থেকে শুরু হয় করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৬৬ দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। এতে বড় ধরনের ধস নামে ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পের উৎপাদনে। ধস নামে আমদানি-রপ্তানি এবং রাজস্ব আহরণেও। ফলে শেষ পর্যন্ত গেল অর্থবছরের শেষ ৩ মাস (এপ্রিল-জুন) এই বিপর্যয়ের কারণে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হয়নি। অর্থবছর শেষে প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ২৪ শতাংশ। যা ২০০৮ সালের পর জিডিপিতে এত বড় আঘাত আর আসেনি। কিন্তু এবার কোভিড-১৯ মহামারিতে অর্থনীতির বিপর্যয়ে বিশ^ প্লাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশও।

এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনার কারণে রপ্তানি পণ্যের অর্ডার বাতিল হয়। এতে রপ্তানি আয়ে বিরূপ প্রভাব পড়ে। ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্প উৎপাদন হ্রাসের কারণে ধস নামে রাজস্ব আহরণে। অন্যদিকে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় এ বছর স্বাস্থ্য খাতসহ বিভিন্ন খাতে সরকারের অস্বাভাবিক ব্যয় বেড়েছে। আয় ও ব্যয়ের এ ভারসাম্যহীনতার প্রভাব পড়েছে অর্থনীতির ওপর। ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করতে সরকার ঋণনির্ভর হয়ে পড়ে। বিশেষ করে ব্যাংক ও সঞ্চয়পত্র থেকে অনেক বেশি মাত্রায় ঋণ নিয়েছে সরকার।

এদিকে করোনায় অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে সরকার ১ লাখ ২১ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। ২১টি প্যাকেজের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত সব খাতকে ঋণ সহায়তা দেয়া হচ্ছে।

এদিকে প্রণোদনা প্যাকেজসহ নানা উদ্যোগে অক্টোবর থেকে অর্থনীতির গতি কিছুটা ফিরতে থাকে। তবে রাজস্ব আহরণেও তেমন আশার আলো দেখা যাচ্ছে না। এরই মধ্যে নভেম্বর থেকে করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা শুরু হয়েছে। যা আবারো একটি অনিশ্চিত পরিবেশের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

নতুন অর্থবছরে অর্থনীতিতে গতি ফিরিয়ে আনতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সরকার ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়ন ও দ্রুত টিকা বিতরণ হচ্ছে অর্থনীতি খাতে প্রধান চ্যালেঞ্জ। আর এসব অর্জনের মধ্য দিয়ে প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক ২ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হবে। যদিও বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির প্রবৃদ্ধি নিয়ে বহুজাতিক সংস্থাগুলো যে পূর্বাভাস দেয়, তার সঙ্গে সরকারের প্রাক্কলনের বড় ধরনের ফারাক রয়েছে। জানতে চাইলে গবেষণা সংস্থা সিপিডির সিনিয়র ফেলো ড. মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ভ্যাকসিনের প্রাপ্যতা ও বিতরণের ওপরেই আগামীর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের অনেক কিছু নির্ভর করবে। সুতরাং এদিকে খুব ভালোভাবে নজর দিতে হবে। এতে অনেক অনিশ্চয়তা দূর হবে। তা না করতে পারলে ২০২০ সালে আমরা যে অনিশ্চয়তা দেখেছি তা আরো ঘনীভূত হবে। মূল লক্ষ্য থাকতে হবে পিছিয়ে পড়া অর্থনীতিকে আগামী বছর পূরণ করতে হবে।

বিশিষ্ট এই অর্থনীতিবিদ বলেন, কর্মসংস্থান, মানুষের আয়, অর্থনৈতিক অবস্থা- সব দিক থেকেই অর্থাৎ অর্থনৈতিক বিপর্যয়, মানবিক বিপর্যয়, স্বাস্থ্য বিপর্যয়- এর মধ্য দিয়ে আমরা গিয়েছি। তবু ভালো যে, বিশ্বে চতুর্থ বিপর্যয় যোগ হয়েছিল, খাদ্য বিপর্যয়। যা আমাদের দেশে হতে পারেনি। এটি আমাদের দেশের একটি শক্তিমত্তার জায়গা ছিল। কিন্তু আমরা দেখেছি, অনেক ধরনের সফলতা সত্ত্বেও বিভিন্ন ধরনের ‘শক’ যখন আসে তা সামাল দেয়ার সক্ষমতায় আমাদের অর্থনীতির অনেক জায়গায় দুর্বলতা দেখা গেছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য খাতকে ঢেলে সাজাতে হবে। অর্থাৎ আগামী বছরের অন্যতম চ্যালেঞ্জ হবে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা দক্ষভাবে করা। এছাড়া অর্থনীতি চাঙ্গা করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির ওপর বেশি জোর দিতে হবে। এ অর্থনীতিবিদ বলেন, বিশ্ব অর্থনীতি দ্বিতীয় বিশ^যুদ্ধের পর সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবারের করোনার ধাক্কায়। তাই আমাদের অভ্যন্তরীণ চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে যে কর্মকাণ্ড, এর ওপর বেশি জোর দিতে হবে। কারণ বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর তো আমাদের হাত নেই। বিশ্বিক অর্থনীতির চাহিদা যদি স্থিমিত থাকে তাহলে আমাদের রপ্তানিও স্থিমিত হবে। এ জন্য অভ্যন্তরীণ বাজার, অভ্যন্তরীণ চাহিদা, ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগ উৎসাহিত করা, প্রণোদনা প্যাকেজ দ্রুত বাস্তবায়ন করা এবং এ প্রণোদনা প্যাকেজের অর্থ যদি রিসাইকেল হয়ে আসে তাহলে কিন্তু অর্থনীতিতে এর গুণগত প্রভাব পড়বে।

মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, সরকারি যেসব বিনিয়োগ হচ্ছে, সেগুলো যাতে সুশাসনের সঙ্গে এবং আরো সাশ্রয়ীভাবে ও সময়মতো শেষ করা যায়- এটাও একটা চ্যালেঞ্জ। তাহলে ব্যক্তি খাত এর সুযোগ নিয়ে আরো সামনে আসতে পারবে। তিনি বলেন, ব্যবসা পরিবেশ, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার- এসব বিষয়ে বেশি নজর দিতে হবে। কারণ অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা যদি শুরুতেই হোচট খায় তাহলে পরের দিকে সামলানো কঠিন হবে। সে জন্য আমাদের মধ্যমেয়াদি যেসব সংস্কার, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানো, ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়ন, ওয়ান স্টপ সার্ভিস, অর্থনৈতিক জোনগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন- এসব বিষয়ে নজর দিতে হবে। যদিও বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতিতে বলা হচ্ছে ক্রেডিট গ্রোথের ১৪ শতাংশ টার্গেট। সেখানে নভেম্বর পর্যন্ত ক্রেডিট গ্রোথ হয়েছে মাত্র ৮ শতাংশ। ব্যক্তি খাতে তারল্য সত্ত্বেও তারল্য প্রাপ্তির ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা নেই। এমন পরিস্থিতিতেও ব্যক্তি খাত চাঙ্গা হচ্ছে না। এ জায়গাতেই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে। কারণ কর্মসংস্থান বলি, আর এসএমই উদ্যোক্তা বলি- সবই তো ব্যক্তি খাত। সুতরাং ব্যক্তি খাতকে চাঙ্গা করতে হবে। এটা করতে হলে ব্যবসায়িক পরিবেশ, যোগাযোগ ব্যবস্থা, বন্দরগুলোর কাজ সহজীকরণ, হয়রানিমুক্ত ব্যবসা পরিবেশ সৃষ্টি- এ জায়গাগুলোতে আমাদের নজর দিতে হবে।

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান মনসুরও ভ্যাকসিনের সহজপ্রাপ্যতা ও বিতরণকে সরকারের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভ্যাকসিন কীভাবে আসবে। সরকারি না বেসরকারিভাবে আনা হবে, কীভাবে বিতরণ হবে- এসব বিষয়ে এখনই ভাবতে হবে। অর্থাৎ ভ্যাকসিন আনা এবং সুষ্ঠুভাবে বিতরণ সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, সেকেন্ড ওয়েভের কারণে করোনার প্রভাব প্রলম্বিত হবে। আমাদের ক্ষতির পরিমাণও বেশি হবে। করোনার প্রভাব আগামী জুনের আগে শেষ হবে বলে মনে হয় না। এতে অর্থনীতির যে ক্ষতি হবে তা মোকাবিলা করাটাও চ্যালেঞ্জ হবে সরকারের। কোভিড-১৯ এর প্রকোপ ছাড়াও সরকারের যেসব কাজ করা দরকার ছিল যেমন- বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ তৈরি করা, রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা- এসব কাজ আরো এগিয়ে নিতে হবে। ড. মনসুর বলেন, ব্যাংকিং খাতের অবস্থা আরো খারাপ হয়ে যাবে যদি জানুয়ারি থেকে ঋণ আদায় স্বাভাবিক হয়ে যায়। এছাড়া অর্থনীতিতে আরো চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাকে (এসএমই) আরো সহায়তা দেয়া, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাকে প্যাকেজের সুবিধার আওতায় নিয়ে আসা, করোনায় প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের ঋণের অর্থ প্রাপ্তি নিশ্চিত, নতুন গরিবসহ দরিদ্র মানুষকে সহায়তা করতে দেশব্যাপী ওএমএস কর্মসূচি চালু, কৃষিতে আগ্রহ বাড়াতে ইন্স্যুরেন্স ব্যবস্থা ও প্যাকেজ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া আরো সহজ করা।

অবশ্য আগামীর অর্থনীতি আরো বেগবান হবে বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এক অনুষ্ঠানে তিনি জানিয়েছেন, করোনা সংকট আমাদের অর্থনীতিকে দাবিয়ে রাখতে পারেনি। বাংলাদেশের অর্থনীতি ঠিক জায়গায় আছে। ভালো অবস্থানে আছে। যেটা কেউ চিন্তাও করতে পারেনি। আমরা বিশ্বাস করি ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে। ২০২১ সাল হবে আমাদের এগিয়ে যাওয়ার বছর। এ বছরই প্রণীত হবে ৬ লাখ কোটি টাকার বাজেট। এটিও হবে একটি রেকর্ড। একই কথা জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানও। তিনি বলেন, সরকারের মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের ভিত তৈরির বছর হবে ২০২১। সম্ভাবনাগুলোকে বাস্তবের দুয়ারে দাঁড় করিয়ে দেবে ২০২১ সাল। আমরা সে লক্ষ্যেই কাজ করছি। বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি জানিয়েছেন, ‘বৈশি^কসহ যে কোনো সমস্যা মোকাবিলায় বাংলাদেশ সব সময় প্রস্তুত। বাংলাদেশ তা প্রমাণ করেছে করোনা মোকাবিলা করে। করোনা অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেললেও তা কাটিয়ে নতুন বাণিজ্যের দুয়ারও খুলে দিয়েছে।

সূত্র জানিয়েছে, করোনার মধ্যে প্রতিকূল পরিবেশে থেকেও নিয়মিত রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। কঠিন সময়ে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স শক্তিশালী করেছে রিজার্ভকে। অর্থনীতির চাকা বেগবান রাখতে বড় অবদান এই রেমিট্যান্সের। ২০২০ সালের ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রেকর্ড পরিমাণ ৪২ দশমিক ০৯ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, এমন রিজার্ভ বিরল ঘটনা। ২০৩০ সালের আগেই রিজার্ভ দাঁড়াবে ৫০ বিলিয়ন ডলারে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English