গত এক বছরে সারা দেশে আত্মহত্যা করেছে ১৪ হাজার ৪৩৬ জন নারী-পুরুষ। এরমধ্যে নারী সবচেয়ে বেশি আত্মহত্যা করেছে। আঁচল ফাউন্ডেশনের এক প্রতিবেদনে দেশের আত্মহত্যার এমন চিত্র উঠে এসেছে।
শনিবার অনলাইনে আয়োজিত এক ওয়েবনিয়ারে আত্মহত্যার পরিসংখ্যান ও কারণ তুলে ধরা হয়। ওয়েবনিয়ারে আত্মহত্যার পরিসংখ্যান তুলে ধরেন সংগঠনটির জরিপ টিমের প্রধান এ এস এম শাহরিয়ার সিদ্দিকী।
বলা হয় করোনাকালে পারিবারিক জটিলতা, সম্পর্কের অবনতি, পড়াশোনা নিয়ে হতাশাসহ বিভিন্ন কারণে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় মানুষ। ২০২০ সালের ৮ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৩টি জাতীয় পত্রিকা, ১৯টি স্থানীয় পত্রিকা, হাসপাতাল ও থানা থেকে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। ৩২২টি আত্মহত্যার ঘটনাকে পর্যবেক্ষণ করা হয়। প্রতিবেদন মতে, ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২০ সালে আত্মহত্যা ৪৪ দশমিক ৩৬ শতাংশ বেড়েছে। এক বছরে আত্মহত্যা করার সংখ্যা ১৪ হাজারের বেশি। আর বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাবে, ২০১৯ সালে সারা দেশে আত্মহত্যা করেছে ১০ হাজারের বেশি মানুষ।
এ সময় আত্মহত্যাকারীর মধ্যে নারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। প্রতিবেদন মতে ৫৭ শতাংশ নারী আত্মহত্যা করে। যেখানে পুরুষ ৪৩ শতাংশ। নারীর আত্মহত্যার ঘটনা ৮ হাজার ২২৮টি এবং পুরুষের আত্মহত্যার ঘটনা ৬ হাজার ২০৮টি। আত্মহত্যা কারীর বয়সের ক্ষেত্রে দেখা যায়, ২০ থেকে ৩৫ বছর বয়সী রয়েছেন ৪৯ শতাংশ, ৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী ৩৫ শতাংশ, ৩৬ থেকে ৪৫ বছর বয়সী ১১ শতাংশ। সবচেয়ে কম আত্মহননকারী হচ্ছেন ৪৬ থেকে ৮০ বছর বয়সীরা মাত্র ৫ শতাংশ।