তুরস্কের রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশে উৎপাদিত পাট তুর্কি কার্পেট তৈরির অন্যতম কাঁচামাল। এ পাটের গুণগতমান উন্নত হওয়ায় তুরস্কের উদ্যোক্তারা আরো বেশি পাট আমদানিতে আগ্রহী।
তুর্কি রাষ্ট্রদূত, ২০২০ সালে তুরস্ক প্রায় ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পাট বাংলাদেশ থেকে আমদানি করেছে যা দুদেশের মোট রপ্তানির প্রায় অর্ধেক। একথা উল্লেখ করে তিনি বলেন- বাংলাদেশের লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, কৃষি খাতের যন্ত্রপাতি, তথ্য-প্রযুক্তি, জাহাজ নির্মাণ, জ্বালানি ও ফার্মাসিউটিক্যাল খুবই সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। যেখানে তুরস্কের উদ্যোক্তারা আরো বেশি বিনিয়োগ করতে পারে।
তিনি দুদেশের বাণিজ্য সম্পর্ক উন্নয়নে ব্রান্ডিং কার্যক্রম বাড়ানো ও চেম্বারগুলোর সম্পর্ক আরো সুদৃঢ়করার ওপর জোর দেন।
দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য উন্নয়নে দুদেশের উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণে বাণিজ্য বিষয়ক সংলাপ আয়োজনের উপর জোরারোপ করেন ডিসিসিআই সভাপতি। ঢাকা চেম্বারের সভাপতি করোনা মহামারি বিবেচনায় বাংলাদেশ থেকে সুতা রপ্তানিতে তুরস্ক আরোপিত অ্যান্টি ডাম্পিং শুল্ক প্রত্যাহারের বিষয়টি বিবেচনায় আনার আহ্বান জানান তিনি।