ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ইতালির মুখোমুখি ইংল্যান্ড। ১৯৬৮ সালের দ্বিতীয়বার ইউরোপ সেরা হওয়ার সুযোগ ইতালির সামনে। অন্যদিকে প্রথমবারের মতো ফাইনালে উঠেছে ইংলিশরা।
ইউরোর শিরোপার লড়াইয়ে নামবে ইতালি। অনেকের জন্য বিষয়টি ধারণার বাইরে ছিল। যদিও দলনেতা জর্জিও চিয়েলিনির কাছে এটাই স্বাভাবিক। আগেই নিজের ঘনিষ্টজনদের জানিয়েছিলেন, ভালোকিছুই হতে চলেছে এবারের আসরে। ৩৬ বছর বয়সী এই সেন্ট্রালব্যাকের এটাই হয়তো আন্তর্জাতিক ট্রফি জয়ের শেষ সুযোগ। ইতালির জার্সিতে ১১২তম ম্যাচে নামতে চলেছেন জুভেন্টাস তারকা।
ফাইনালের আগে আয়োজকদের দেয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেছেন, ‘এবারের যাত্রায় অনেক আবেগ জুড়ে আছে। তুরস্কের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে বন্ধুদের কিছু ম্যাসেজ পাঠিয়েছিলাম। আগেই জানিয়েছিলাম এবারের গ্রীষ্মতে আবেগ, আনন্দ ও জাদুময় হবে।’
১৯৬৬ বিশ্বকাপে ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামেই ফাইনাল জিতে বিশ্বকাপ নিজেদের করেছিল ইংল্যান্ড। ৫৫ বছর পর এই মাঠেই প্রথম ইউরো জয়ের হাতছানি। ঐতিহ্যবাহী এই স্টেডিয়ামে ইউরোর শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ খেলতে পারায় বাড়তি উৎসাহ পাচ্ছেন টটেনহ্যাম ফরোয়ার্ড হ্যারি কেন।
ইংলিশ অধিনায়কের ভাষায়, ‘ওয়েম্বলিতে খেলতে পারায় আয়োজনটা আরও বিশেষ মনে হচ্ছে। গ্যালারিতে আমাদের পক্ষে সমর্থকদের গাওয়া গান বাড়তি প্রেরণা যোগাবে। নিজেদের দ্বিতীয় ট্রফি ঘরে তোলার জন্য এর থেকে ভালো ভেন্যু আর কিছুই হতে পারে না।’
রোববার (১১ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় শুরু হবে ম্যাচটি। সরাসরি দেখা যাবে সনি টেন-টুতে। অনলাইনে ওটিটি প্লাটফর্ম বায়োস্কোপের সনি সিক্স চ্যানেলে দেখা যাবে শিরোপার লড়াই।