ছোট থেকেই প্রার্থনা ফারদিন দীঘির গায়ে লেগেছে তারকা তকমা। সেটা শিশুশিল্পী হিসেবে। সময় গড়িয়ে দীঘি এখন চিত্রনায়িকা। সিনেমার নায়িকাদের ঈদ-ব্যস্ততা থাকবে, সেটাই স্বাভাবিক। সদ্য নায়িকা হওয়া দীঘির সেই ব্যস্ততার খোঁজ নিতে গিয়ে জানা গেল, এবার পাঁচ টেলিভিশনের ঈদ আড্ডায় অংশ নিয়েছেন তিনি।
জানিয়েছেন, এটিএন বাংলার ‘চায়ের চুমুকে’, সময় টিভির ‘সম্পাদকীয়’, এশিয়ান টিভির ‘রঙে আনন্দে ঈদ’, ডিবিসি ও এসএ টিভির ঈদ আয়োজনে দেখা যাবে তাঁকে। অনুষ্ঠানগুলো ঈদের দিন থেকে যথাক্রমে প্রচার হবে।
প্রার্থনা ফারদিন দীঘি বলেন, ‘পাঁচটা প্রোগ্রাম আসলে পাঁচ রকমের। তিনটা ছিল আমার সলো, একটা ছিল অপু বিশ্বাস আপুর সঙ্গে আর একটা জিয়াউল রোশান ভাইয়ের সঙ্গে। পাঁচ টেলিভিশনের আড্ডা পাঁচ রকম, কোনোটার আড্ডা একটু বেশি, কোনোটার সময় একটু বেশি। আসলে না ঈদের সময় খুব ভালো লাগে। অনেক দিন পর যেহেতু নতুনরূপে কামব্যাক করেছি, দর্শকদের সঙ্গে সে রূপে যোগাযোগ হওয়াটা… ঈদের শুভেচ্ছা জানানো, এটা আসলে খুব ভালো লাগে। আর ঈদের সময় আমি নিজেও এসব প্রোগ্রাম দেখতে পছন্দ করি। ঈদের সময় দর্শক আমাদের দেখে আনন্দ পান, এটাই ভালো লাগে।’
প্রার্থনা ফারদিন দীঘি ছোটবেলায় বাবার কাছে ময়না পাখির নাম ধরে ডাকার সংলাপ বলে দেশজুড়ে সাড়া ফেলেছিলেন। সেই সাড়া এতটাই ছিল যে নিজের প্রথম ‘কাবুলিওয়ালা’ সিনেমায় অভিনয় করে দীঘি জিতে নিয়েছিলেন শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। সময়টা ২০০৬ সাল। দীর্ঘ ১৫ বছর পর সেই দীঘির নামের আগে ‘নায়িকা’ তকমা লেগেছে চলতি বছরের মার্চে। মুক্তি পেয়েছে তাঁর অভিনীত প্রথম সিনেমা ‘তুমি আছো তুমি নেই’। এরপর ‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়া ভাই’ শিরোনামে আরও একটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে দীঘির। বর্তমানে হাতে আছে বেশ কিছু সিনেমা।