ভারতের উত্তরাখণ্ডে হিমবাহ ধসের পর আকস্মিক বন্যা ও প্রবল পানির তোড়ে ভেসে যাওয়ায় এখনো ১৯৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন। মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত পর্যন্ত ৩২ জনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। এ উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছেন প্রায় ৬০০ উদ্ধারকারী।
সুড়ঙ্গের মুখ কাদা, পাথরে আটকে যাওয়ায় বিপর্যয়ের পরে প্রায় ৬০ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ সুড়ঙ্গের ভিতরে ঢুকতেই বেগ পেতে হচ্ছে উদ্ধারকারীদের। সুড়ঙ্গের ভিতরে বড় বড় পাথর আটকে থাকায় সেগুলো পরিষ্কার করে ভিতরের দিকে ঢুকতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। সুড়ঙ্গের ১২-১৫ ফুট অংশে বাঁক থাকায় এবং প্রবেশের একটাই মাত্র পথ থাকায় সমস্যা আরও জটিল হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে ইন্ডো-টিবেটান বর্ডার পুলিশের (আইটিবিপি) মুখপাত্র বিবেক কুমার পাণ্ডে জানিয়েছেন, সুড়ঙ্গের ভিতরে রাতভর কাদা এবং পাথর সরানোর কাজ হয়েছে। প্রবেশমুখ থেকে ১২০ মিটার পথ পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। সুড়ঙ্গের প্রায় ছাদ পর্যন্ত ঠেকে যাওয়া কাদা, পাথরের স্তূপের উচ্চতা কমে এসেছে।
৭ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেলার জোশীমঠের কাছে হিমালয়ের হিমবাহ ভেঙে পড়ে। রেনি গ্রামের তুষারধসের জেরে ধৌলিগঙ্গার জলস্তর হু হু করে বেড়ে যায়। ক্ষতি হয় হৃষিগঙ্গার ওপর জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের। নদীর দু’ধারে অবস্থিত অসংখ্য বাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।