মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:০২ অপরাহ্ন

এলাকাভেদে ভবনের উচ্চতার নিয়ন্ত্রণ চান পরিকল্পনাবিদেরা

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৫৩ জন নিউজটি পড়েছেন

ঢাকার বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনায় (ড্যাপ) এলাকাভিত্তিক অবকাঠামো ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধাভেদে আবাসিক ভবনের উচ্চতা নির্ধারণের পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি)। আজ মঙ্গলবার দুপুরে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠকে এ পরামর্শ দেওয়া হয়। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্রক্রিয়াধীন ড্যাপ নিয়ে বিআইপির অবস্থান জানাতে মন্ত্রীর সঙ্গে সভাটির আয়োজন করা হয়।

ড্যাপ চূড়ান্তকরণসংক্রান্ত মন্ত্রিসভার কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্বে আছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম। তাঁর সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে বিআইপির সভাপতি আকতার মাহমুদ বলেন, প্রক্রিয়াধীন ড্যাপের ভালো-মন্দ ও কোন কোন বিষয়ে পরিমার্জন প্রয়োজন, সেসব বিষয়ে তাঁরা মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেছেন। পাশাপাশি মূল ঢাকা শহরে জনসংখ্যার চাপ কমাতে রাজউকের পূর্বাচল, ঝিলমিলসহ আবাসিক প্রকল্পগুলো দ্রুত শেষ করা এবং সারা দেশে সুষম উন্নয়নের প্রতি জোর দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া এলাকাভিত্তিক অবকাঠামো ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধা অনুযায়ী ভবনের উচ্চতা নির্ধারণের পক্ষে মত দিয়েছেন তাঁরা। এ মতকে যৌক্তিক বলে উল্লেখ করেছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।

মন্ত্রণালয়ের বৈঠকসংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলন করেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম। এ সময় তিনি বলেন, ড্যাপ বাস্তবায়নে সিটি করপোরেশন মুখ্য ভূমিকা পালন করতে পারে। তাই সিটি করপোরেশনকে অন্তর্ভুক্ত করেই কাজ করা হবে। শহরের ক্ষতি হয় অর্থাৎ বসবাসের অনুপযোগী হয়, এমন কাজ আর করতে দেওয়া হবে না বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, কাজ করতে গেলে বাধা আসবে, সমস্যা সমাধান করেই সামনে এগোতে হবে। রাজউকের পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, পূর্বাচলে ১০ লাখ মানুষ বসবাসের জন্য ‘বেসলাইন’ নির্ধারণ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী রাস্তাঘাট, ভবনের উচ্চতা, নাগরিক সুযোগ-সুবিধাসহ সবকিছু নির্ধারণ করা আছে। এখন ওই এলাকায় যদি ১০ লাখের বেশি লোক বসবাস করে, স্বাভাবিকভাবেই তা আর বাসযোগ্য অবস্থায় থাকবে না।

দেশের প্রতিটি পৌরসভায় বিশেষ করে প্রথম শ্রেণির পৌরসভায় একজন করে নগর পরিকল্পনাবিদ নিয়োগ দেওয়ার দাবি সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, তাঁদের দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক। কারণ, পৌরসভায় নগর পরিকল্পনাবিদ থাকলে পরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণ, প্রকল্প প্রণয়ন, যাচাই–বাছাইসহ সবকিছু পরিকল্পিতভাবে করতে পারবে।

বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, প্রক্রিয়াধীন ড্যাপের প্রকল্প পরিচালক আশরাফুল ইসলাম, বিআইপির সাধারণ সম্পাদক আদিল মুহাম্মদ খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English