বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:১৩ অপরাহ্ন

কিশোরী ধর্ষণ-হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড আপিলে বহাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ১৮ আগস্ট, ২০২১
  • ৫১ জন নিউজটি পড়েছেন
সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন ছুটি বাতিল

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার লালনগরে এক কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে আসামি শুকুর আলীর মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

তবে একই মামলায় মৃত্যুদণ্ড পাওয়া অপর তিন জনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন দণ্ড দেওয়া হয়েছে । তাদেরকে কনডেম সেল থেকে স্বাভাবিক সেলে স্থানান্তর করতেও আদেশে বলা হয়েছে।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ভার্চুয়াল আপিল বিভাগ বুধবার এই রায় দেন। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি হলেন- নুরুদ্দিন সেন্টু, আজানুর রহমান ও মামুন হোসেন।

আদালতে আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী এস এম শাহজাহান ও রাগীব রউফ চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ।

২০০৪ সালের ২৫ মার্চ রাতে দৌলতপুর উপজেলার লালনগর গ্রামের এক কিশোরীকে বাড়ি ফেরার পথে আসামিরা অপহরণ করে। এরপর লালনগর ধরমগাড়ী মাঠের একটি তামাক ক্ষেতে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ শেষে তাকে হত্যা করেন তারা।

এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে পাঁচ জনকে আসামি করে দৌলতপুর থানায় মামলা করেন।

ওই মামলায় বিচার শেষে ২০০৯ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি পাঁচ জনের মৃত্যুদণ্ড দেন কুষ্টিয়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আকবর হোসেন।

তারা হলেন- কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার লালনগর গ্রামের খয়ের আলীর ছেলে শুকুর আলী, আব্দুল গনির ছেলে কামু ওরফে কামরুল, পিজাব উদ্দিনের ছেলে নুরুদ্দিন সেন্টু, আবু তালেবের ছেলে আজানুর রহমান ও সিরাজুল প্রামাণিকের ছেলে মামুন হোসেন।

পরে নিয়ম অনুসারে মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য নথি (ডেথ রেফারেন্স) হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি আসামিরা আপিল করেন। এর মধ্যে কামু ওরফে কামরুল মৃত্যুবরণ করেন। ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শেষে হাইকোর্ট বিভাগ তাদের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। পরে আসামিরা আপিল করেন। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার আপিলের শুনানি নিয়ে রায় দেন আপিল বিভাগ।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English