শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে শনিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত তারা মারা যান বলে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার শামীম ইয়াজদানী জানান।
তিনি বলেন, “এর মধ্যে চারজন করোনাভাইরাস পজেটিভ ছিল। আর বাকিরা উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মৃতদের মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের পাঁচজন ও রাজশাহীর তিনজন।
“এ নিয়ে গত ২৪ মে থেকে ১৩ দিনে ১০১ জন মারা গেলেন; যার মধ্যে ৬০ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন।”
এদিকে শনিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২২৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ১৬ জন। এর মধ্যে রাজশাহী ১০, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৫ ও নওগাঁর একজন।
এছাড়া একই সময় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ১৮ জন বাড়ি ফিরেছেন বলে ইয়াজদানী জানান।
বেড়েছে শনাক্তের হার
রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ একদিনের ব্যবধানে করোনাভাইরাস শনাক্তের হার বেড়েছে। শুক্রবার রাতে রাজশাহীর দুইটি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়।
এতে দেখা গেছে, আগের দিনের চেয়ে শুক্রবার প্রায় দিগুন বেড়ে রাজশাহীতে করোনা শনাক্তের হার ছিল ৪৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ। আর চাঁপাইনবাবগঞ্জে এ দিন শনাক্তের হার বেড়ে দাঁড়ায় ৬১ দশমিক ৮৭ শতাংশ। যা বৃহস্পতিবার রাজশাহীতে ছিল ২৬ শতাংশ আর চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৩ দশমিক ৯৪ শতাংশ।
রাজশাহী হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস জানান, শুক্রবার রাজশাহীর দুইটি ল্যাবে ৪৫৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২৪৭ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে রাজশাহীর ২৬৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১৩১ জনের পজিটিভ এসেছে।
এছাড়াও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১৮১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১১২ জনের করোনাভাইরাস পজিটিভ এসেছে এবং নাটোরের নয়জনের নমুনা পরীক্ষা করে চারজনের দেহে শনাক্ত হয়েছে।