শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:১৬ অপরাহ্ন

ক্ষুধা নেই, তবুও বেশি খাচ্ছেন? ৬ টিপসেই মিলবে সমাধান

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ৩০ মার্চ, ২০২১
  • ৫০ জন নিউজটি পড়েছেন
ক্ষুধা নেই, তবুও বেশি খাচ্ছেন? ৬ টিপসেই মিলবে সমাধান

সকালে ঘুম উঠেই আপনি সারাদিনের খাওয়া আর ব্যায়ামের পরিকল্পনা করে ফেললেন। সেই অনুপাতে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলল। কিন্তু ঠিক সন্ধ্যার পর যেয়ে আপনার ফাস্ট ফুড বা মিষ্টি খাবার খাওয়া প্রবণতা বাড়তে পারে। এ সমস্যা আপনার একার না অনেকের ক্ষেত্রেই এমন ঘটতে পারে।

দুর্ভাগ্যক্রমে আমাদের মধ্যে যখন মানসিক চাপ বাড়ে তখন আমরা খাবারেই সমাধান খুঁজি। চিন্তা করি আর কিছু না হোক খাবার আমাদের কিছুটা হলেও শান্তি দেবে। এতে করে পরবর্তীতে দেখা যায় ওই খাওয়ার বিষয়টি অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়। তবে এ বিষয় থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

আপনার মন মেজাজ, খাবার ও ওজনের মধ্যে সম্পর্ক:

আপনি যখনই কোন বিষয় নিয়ে চিন্তায় থাকেন বা আপনার মন মেজাজ খারাপ থাকে তখনই দেখা যায় খাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। আর বেশিরভাগ খাবার দেখা যায় অস্বাস্থ্যকর। এর অর্থ আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণের যে লক্ষ্যে আপনি ছিলেন তার থেকে অনেকটা সরে আসলেন।

শুরুতে খাবার খেয়ে আপনার ভালো লাগলেও পরবর্তীতে অপরাধবোধে ভুগবেন। কিন্তু পরবর্তীতেও আপনি যদি মানসিক অবসাদে ভোগেন তখনও দেখা যাবে আপনি খাওয়াকে বেছে নিচ্ছেন।

মুক্তির উপায়:

ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এ থেকে মুক্তির উপায় আপনি পাবেন হাতের কাছেই।

খাওয়ার ডায়েরি রাখা:

শুনতে প্রথমে অদ্ভুত লাগতে পারে যে আপনি খাওয়ার জন্য ডায়েরি রাখছেন। খেয়াল করুন যে আপনি কী খান, আপনি কতটুকু খান, কখন খাবেন, খাওয়ার সময় আপনার মনের অবস্থা কেমন এবং আপনি কতটা ক্ষুধার্ত আছেন। এতে করে আপনি সহজে পদক্ষেপ নিতে পারবেন কী করা উচিত।

মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করুন:

আপনার মানসিক খাওয়ার ধরণের পিছনে যদি মানসিক চাপ কারণ হয় তাহলে যোগব্যায়াম,মেডিটেশন বা গভীর শ্বাস প্রশ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করুন।

ক্ষুধার্থ কি না পরীক্ষা করুন:

শুনতে এটি উদ্ভট বলে মনে হচ্ছে। তবে আপনার ক্ষুধা শারীরিক বা মানসিক হলে নিজেই পরীক্ষা করে দেখুন? হিসেব করে দেখুন আপনি কয়েক ঘন্টা আগে খেয়েছেন। এতে করে দেখা যাবে আপনি সম্ভবত ক্ষুধার্ত নাও হতে পারেন। কিন্তু তারপরও আপনার আবেগ আপনাকে চকলেটের দিকে নিয়ে যেতে পারে। কিন্তু ক্ষুধা যেহেতু লাগেনি এই ভেবে খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

একঘেয়েমি দূর করুন:

একঘেয়েমির কারণে আপনি প্রচুর খাবার খেতে থাকেন। কিন্তু খাবারের পরিবর্তে আপনার মন ভালো করতে আপনি গান শোনা, বই পড়া, কোন বন্ধুর সাথে দেখা করতে পারেন।

জাঙ্ক ফুড বাসা থেকে সরানো:

শুনতে কিছুটা খারাপ মনে হলেও নিজের ভালোর জন্য আপনি বাসায় কোন জাঙ্ক ফুড রাখবেন না। বাড়িতে না এসব অস্বাস্থ্যকর না থাকলে আপনার খাওয়ার প্রশ্নটিও তৈরি হবে না।

চিকিৎসকের সাহায্য নিন:

আপনি যদি দেখেন যে এই কৌশলগুলোর কোনওটিই কাজ করছে না, তবে সমস্যাটি আপনি যা ভাবছেন তার চেয়ে গুরুতর হতে পারে। আপনি চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করতে বা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারেন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English