শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:২৯ পূর্বাহ্ন

খেসারত দিতে হতে পারে দেশের মানুষকে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ১৯ মে, ২০২১
  • ৫৯ জন নিউজটি পড়েছেন
প্লিজ, মানুষকে মর্যাদা দিন

স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে লাখ লাখ মানুষের ঈদযাত্রা বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এতে করোনা সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। এ বিষয়ে সরকারের আরও কঠোর হওয়া উচিত ছিল বলে মনে করেন তারা। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতে যেভাবে কুম্ভ পূজার কারণে অতিমাত্রায় করোনা ছড়িয়েছে তেমন অবস্থা বাংলাদেশেরও হতে পারে।

অন্য স্বাভাবিক সময়ে যেভাবে গাদাগাদি করে মানুষ ঈদের ছুটিতে বাড়িতে যেতেন সেই একই রকম চিত্র এবারও। করোনা সংক্রমণের ভয় লকডাউন কিংবা সরকারের বিধি-নিষেধ কোন কিছুকেই তোয়াক্কা করেনি এসব মানুষ। অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাধাকে উপেক্ষা করে লাখো মানুষের ঢল দেখা গেছে নৌ-সড়ক পথে।

এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ডা. শামীম আহমেদ বলেন, লাখ লাখ মানুষ বাড়ি যাচ্ছে। এটি কখনো কাম্য নয়। পাশের দেশ ভারতে করোনাভাইরাস তাণ্ডব চালাচ্ছে। আমরা ভয় পাচ্ছি সেটি ধরণের ভাইরাসটি আমাদের দেশেও আসে কি না। শহর থেকে যে লোকগুলো যাচ্ছে তারা কিন্তু ভাইরাসটি নিয়ে যাচ্ছে। আমাদের দেশের যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা আছে তা দিয়ে বড় ধরণের ঝুঁকি মোকাবিলা করা সম্ভব না। সুতরাং রোগের চিকিৎসা নয়। রোগ যাতে না হয় সেই ধরণের নীতি নেয়া উচিত।

তিনি আরও বলেন, ভারতে লাখো মানুষের অংশগ্রহণে কুম্ভ পূজার খেসারত দিচ্ছে দেশটির সাধারণ মানুষ। বাংলাদেশেও এমন পরিস্থিতি হতে পারে।

একই সমস্যা বিষয়ে করোনা বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, দূরপাল্লার বাস বন্ধ করা হয়েছে। কিন্তু মানুষ বাড়ি যাচ্ছে ট্রাকে করে বা অন্য গাড়ি দিয়ে। এটি কী ধরণের ব্যবস্থাপনা? আমাদের এসব মেনে নিয়েই ব্যবস্থা করতে হবে। এই মাসের ২৭ বা ২৮ তারিখের মধ্যে করোনা সংক্রমণ বাড়তে পারে।

তিনি আরও বলেন, গত বছর ঈদুল ফিতরের পর করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার বেড়েছিল স্বাস্থ্যবিধি না মানায়। এবারও একই পরিস্থিতি দেখা দিলে তা সামলানো কঠিন হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English