চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের আরো ১৭ জন সহকারী উপপরিদর্শককে রদবদল করা হয়েছে। এর আগে ১২ জন উপপরিদর্শককে বদলি করা হয়েছিল। ডবলমুরিং থানার উপপরিদর্শক হেলাল খান সাদা পোশাকে সোর্স নিয়ে অভিযানে গিয়ে এক স্কুলছাত্রের মা-বোনের সঙ্গে বিতণ্ডায় জড়িয়ে চরম বিতর্কের জন্ম দেওয়ার পর পুলিশের উপপরিদর্শকদের পদে রদবদল করা হচ্ছে। ওই ঘটনায় স্কুলছাত্র অপমানে আত্মহত্যা করেছে। এ নিয়ে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়। জনমনে পুলিশ সম্পর্কে বিরূপ ধারণার জন্ম নেয়।
গত ১৬ জুলাই ডবলমুরিং থানার আগ্রাবাদ মসজিদ গলিতে সোর্স নিয়ে সাদা পোশাকে অভিযানে গিয়ে বিতর্কের জন্ম দেওয়া হেলাল খানের বিষয়ে নগর পুলিশ তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল। ওই কমিটি ঘটনায় হেলাল খানের দায় পেয়েছে। এ কারণে তাঁকে বরখাস্ত এবং বিভাগীয় মামলা রুজুর সুপারিশ করে।
বুধবার মহানগরীর ১৬ থানায় কর্মরত সহকারী উপপরিদর্শকদের এক জোন থেকে অন্য জোনে বদলির আদেশ দেন সিএমপি কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান। তবে এই বদলি আদেশকে নিয়মিত বদলি হিসেবে বর্ণনা করেছেন কমিশনার।
তিনি বলেছেন, এটা স্বাভাবিক বদলি। যাদের এক থানায় কর্মকাল দু-তিন বছর হয়ে গেছে, তাদের বদলি করা হয়েছে। এর সঙ্গে অন্য কিছুর সম্পর্ক নেই। ওই দিন স্কুলছাত্র সালমান ইসলাম মারুফকে আটক করতে গিয়ে মা-বোনের সঙ্গে অশোভন আচরণ করা এবং তাদের থানায় নেওয়া হয়েছে এমন তথ্য জেনে স্কুলছাত্র গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছিল।