যমুনা নদীর পানি গত কয়েক দিন ধরে কমলেও রোববার দুপুর থেকে ফের বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। অন্যদিকে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এদিন সন্ধ্যা ৬টায় বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার ৯৯ সেন্টিমিটার এবং ব্রহ্মপুত্রের পানি জামালপুরের পয়েন্টে বিপদসীমার দুই সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
দ্বিতীয় দফায় জেলা সদরসহ ৭টি উপজেলার ৫৯টি ইউনিয়নে ও ৮টি পৌরসভায় বন্যা দেখা দিয়েছে। দুই লাখ ৪৬ হাজার ৫০৯টি পরিবারের নয় লাখ ৮৭ হাজার ৫৪১ জন মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। বন্যাদুর্গত এলাকায় এ পর্যন্ত ৪১০ মেট্টিক টন চাল, ১৯ লাখ টাকা, চার হাজার শুকনো খাবার, দুই লাখ টাকার শিশু খাদ্য এবং দুই লাখ টাকার গো-খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে।
এদিকে ৭৯টি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছে ১৪ হাজার ৯৭৬ জন বন্যার্ত মানুষ। বন্যাদুর্গত এলাকায় কাজ করছে ৫১টি মেডিক্যাল টিম। এ পর্যন্ত নৌকা ডুবিতে দুইজনসহ বন্যার পানিতে ডুবে মারা গেছেন নয়জন। বন্যায় নয় হাজার ১৮৫ হেক্টর জমির ফসল, ২৬০ কিলোমিটার কাঁচা-পাকা সড়ক, চারটি বাঁধ, পাঁচটি ব্রিজ-কালভাট, ২৬৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ৬৫৮টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়াও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চার হাজার ৪০২টি নলকূপ ও চার হাজার ৮৬৮টি পায়খানা ঘর। জামালপুর জেলা প্রশাসন কার্যালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।