ব্যাট হাতে বলতে গেলে সিনিয়ররা ব্যর্থ। লিটনের সেঞ্চুরি ও তরুণ আফিফের ইনিংস বাংলাদেশকে পৌঁছে দেয় চ্যালেঞ্জিং স্কোরে। যেখানে প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশ করতে পারে ২৭৬ রানে। জবাবে জিম্বাবুয়ে অল আউট হয় ১২১ রানে। বাংলাদেশের বোলিং ডিপার্টমেন্ট তাই বাহবা পাচ্ছে বেশ।
সিনিয়ররা সব সময় রান পাবে বিষয়টি এমন নয়। না পেলে তখন দায়িত্ব জুনিয়রদের। এটা তাদের জন্য সুযোগও নিজেদের মেলে ধরার। প্রথম ম্যাচ প্রসঙ্গে অধিনায়ক তামিম ইকবাল শনিবার বললেন, ‘একটা কথা সব সময় বলি, জুনিয়রদের পারফর্ম করতে হবে। এটা নিয়ে অনেক আলোচনা হয়। আমরাও বলেছি। কাল এক্ষেত্রে আদর্শ ম্যাচ ছিল। যেখানে লিটন বেশ দায়িত্ব নিয়ে একটা ইনিংস খেলেছে।
তিনি আরো বলেন, ‘আর সবসময় ১০০ বা ৫০ নিয়ে কথা বলা খুব সহজ। কিন্তু আমার কাছে ছোট ছোট অবদান খুব গুরুত্বপূর্ণ। আফিফের ইনিংসটি ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সে ওই ইনিংসটা না খেললে ২৭০ রান করতে পারতাম না। ৩০-৪০ রান কম হতো। মিরাজের ২২-২৩ রানের ইনিংসও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। রিয়াদ ভাই আউট হওয়ার পর আরেকটি উইকেট পড়ে গেলে বিপদ হতো। আমার কাছে মনে হয় এই ছোট ছোট অবদানের কৃতিত্ব দেয়া গুরুত্বপূর্ণ। যেটা আমি পছন্দ করি।’