না এএফসি কাপে খেলছে না জেমি ডে’র দল। তার দল খেলবে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে। এরপরও জাতীয় দলের প্রস্তুতিতে প্রভাব বিস্তার করছে ২৩ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া এএফসি কাপ। অবশ্য এর আগেই ৮ ও ১৩ অক্টোবর বাংলাদেশ তাদের বাছাই পর্বের দুই ম্যাচ শেষ করবে আফগাস্তিান এবং কাতারের বিপক্ষে। কিন্তু নভেম্বরে দুই হোম ম্যাচের আগেই যত সমস্যা ভর করছে জামাল ভূঁইয়াদের উপর। কারণ এই দুই ম্যাচের আগে বসুন্ধরা কিংস তাদের এএফসি কাপ খেলে আসবে মালদ্বীপ গিয়ে। সেখানে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন দলটি ১৩ দিনে খেলবে পাঁচটি ম্যাচ। ৪ নভেম্বর শেষ ম্যাচ খেলেই ১২ নভেম্বর তাদের জাতীয় দলের ফুটবলাররা নামবে লাল সবুজ জার্সী গায়ে। এতে ক্লান্তি ভর করতে পারে তপু , ইয়াসিন , বিপলু , মতিন মিয়াদের উপর। যার রেশ টানতে হবে বাংলাদেশ দলকে। এই বিষয়টিও এখন কোচ জেমি ডে’র চিন্তায়। সোমবার অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এই নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন তিনি।
ইংল্যান্ডে অবস্থানরত এই বৃটিশ কোচের মতে, মোটেই ভালো সময় যাবে না তখন। তা জাতীয় দল এবং বসুন্ধরা কিংস উভয়ের জন্যই। ফুটবলারদের পক্ষে বসুন্ধরার হয়ে এএফসি কাপে ১৩ দিনে পাঁচ ম্যাচ খেলে এসে আবার জাতীয় দলে খেলাটা বেশ কঠিন। এর বাজে প্রভাব পড়বে জাতীয় দলে। খেলোয়াড়রা তাদের সেরাটা দিতে পারবে না। যোগ করেন, এরপরও আমাকে এর সমাধান বের করতে হবে। কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে পরিকল্পনায়। যাতে ফুটবলারদের সেরাটা আদায় করা যায়।
শুধু এই ম্যাচের সিডিউলই টেনশনের বিষয় নয়। সাথে আছে জাতীয় দলের ফুটবলারদের নিয়ে বসুন্ধরা কিংস এবং জাতীয় দলের মধ্যে টানাটানি। এস এ গেমসের আগে বসুন্ধরা কিংস তাদের ফুটবলারদের ছাড়েনি দলের কন্ডিশনিং ক্যাম্পের জন্য। এর প্রভাবেই বলতে গেলে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে দারুন খেলা বাংলাদেশের পক্ষে সম্ভব হয়নি স্বর্ পদক পুনরুদ্ধার করা। ব্রোঞ্জ ধরে রেখেই কাঠমান্ডু থেকে দেশে ফেরা। এবার এএফসি কাপের জন্য বচসুন্ধা কিংসও তাদের প্রি সিজন ক্যাম্প শুরু করবে আগষ্টের শেষ দিকে। আর বাংলাদেশ দলের ক্যাম্প ৭ আগষ্ট থেকে। ফলে বসুন্ধরা কিংস তাদের ফুটবলারদের নাও ছাড়তে পারে জেমি ডে’র জন্য। এই প্রসঙ্গে বাংলাদেশ কোচের জবাব, সুষ্টু একটা সমাধান বের করে আনার চেষ্টা করবো। যা দুই পক্ষকেই খুশী করতে পারে। আমার সাথে ভালো সম্পর্ক বসুন্ধরা কিংসের কোচ অস্কারের। তার সাথে এ নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে কথাও হয়েছে।
লম্বা সময় ফুটবল মাঠে নেই। তবুও ফুটবলারদের ফিটনেস নিয়ে মাথা ব্যাথা নেই কোচের। জানান, পর্যাপ্ত সময় পাবো অনুশীলনে। চার নতুন মুখ, উঠতি এবং বয়ষ্কদের ফিট করে তোলা যাবে।
উল্লেখ্য, কাতার বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে বাংলাদেশ ৮ অক্টোবর আফগানিস্তান, ১৩ অক্টোবর কাতার, ১২ নভেম্বর ভারত এবং ১৭ নভেম্বর ওমানের বিপক্ষে খেলবে।