নাব্য সংকটে টানা তৃতীয় দিনের মতো বন্ধ রয়েছে লৌহজংয়ের শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ী নৌ-রুটের সকল প্রকার ফেরি চলাচল।
বিআইডব্লিউটিসির উপ-মহাব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম জানান, বেশ কিছুদিন ধরেই এই নৌরুটে চ্যানেলে পানির গভীরতা কম থাকায় শনিবার তৃতীয় দিনের মতো রো রো, ঠেলা, মাঝারি, কে টাইপ ও ছোট ফেরি হ সব ধরনের ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে ঘাট এলাকায়। সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত সকল প্রকার ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হবে।
এই চ্যানেলের নাব্য সংকট কাটিয়ে না ওঠা পর্যন্ত কোনো প্রকার ফেরি চলাচল চালু করা সম্ভব নয়। মূলত পদ্মা সেতুর লৌহজং ও শরীয়তপুরের জাজিরা পয়েন্টে উজান থেকে নেমে আসা পলিতে চ্যানেলের নাব্য সংকট তীব্র আকার ধারণ করায় এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি এই নৌরুটে ফেরি চলাচল।
বিআইডব্লিউটিএ বলছে, চ্যানেলে নাব্যতা সংকট কাটিয়ে উঠতে শনিবার পর্যন্ত ১০টি ড্রেজার দিয়ে পলি অপসারণের কার্যক্রম চলছে। তবে এই সংকট কাটিয়ে উঠতে আরোও ৫দিন সময় লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া এই নৌরুটে লঞ্চ, সিবোট ও ট্রলার চলাচল এখনো স্বাভাবিক রয়েছে।
এর আগে রাতে দুর্ঘটনা এড়াতে গত শনিবার সন্ধ্যা ৬ টা থেকে প্রতিদিন সকাল ৬টা পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য ফেরি চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্বান্ত নিয়েছিল বিআইডব্লিউটিসি শিমুলিয়া কর্তৃপক্ষ।
এদিকে শনিবার সকাল থেকেই এই নৌরুটে ফেরি চলাচল শুরু হবে- এমন ধারণায় পদ্মা পাড়ি দেয়ার অপেক্ষায় রয়েছে কয়েকশ যানবাহন। দক্ষিণ বঙ্গগামী এসব যাত্রীর অনেকেই গন্তব্যে পৌঁছতে না পেরে বাধ্য হয়ে ফিরতে হচ্ছে রাজধানীতে। এর মধ্যে সব থেকে বেশি বিপাকে পড়েছে দীর্ঘদিন ধরে ঘাট এলাকায় পারাপারের জন্য আটকে থাকা পণ্যবাহী ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানগুলো।
এখন পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে প্রায় সাড়ে ৩শ’ পণ্যবাহী ছোটবড় ট্রাক। আছে পিকআপ ভ্যান ও মোটরসাইকেলও। তবে এসব যানবাহকে বিকল্প রোড ব্যবহারের জন্য অনুরোধ করেছে বিআইডব্লিউটিসি শিমুলিয়া ঘাট কর্তৃপক্ষ।