এই একমাত্র জায়গা যাতে বিদ্যমান নানা রীতিনীতি। অনেকেই এই রীতি মেনে চলেন, অনেকেই চলেন না। অনেকেই আবার প্রয়োজনীয় কাজ সেরে বেরিয়ে আসেন। বুঝতে পারছেন কিসের কথা বলা হচ্ছে? তা হল টয়লেট। তবে টয়লেট ব্যবহারের বেশ কিছু নিয়ম কানুন রয়েছে। কেউ হয়তো কাজ সেরে সঠিকভাবে টয়লেট পরিষ্কার রাখল না, আবার কেউ এতোটাই পানি ব্যবহার করল যে তা অপচয়ই বলা যেতে পারে।
কিন্তু একটু সচেতন হলে অনেক অপ্রীতিকর পরিস্থিতি কিন্তু এড়িয়ে যাওয়া যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে সেই সচেতনতার ক্ষেত্রে। খবর এই সময়ের।
তবে টয়লেটের ফ্ল্যাশে দুটি বাটন নিশ্চয় লক্ষ্য করেছেন? কেন জানেন কি? আসলে আগের দিনের টয়লেটের ফ্ল্যাশে থাকত টানা দড়ি। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে হ্যান্ডেল থেকে তা চলে এল বাটনে। তবে আধুনিক টয়লেটের ফ্ল্যাশ হিসেবে দুটি বোতাম বা বাটন থাকে।
জনসংখ্যার ক্রমবর্ধমান হারের কারণে দিন দিন বাড়ছে পানির চাহিদা। এই বাড়তি চাহিদার যোগানে দিন দিন কমে আসছে ব্যবহার্য পানির পরিমাণ। তাই শৌচকার্যে পানির অপচয় রোধ করতে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়। দুটি বাটনের পরিকল্পনা সেখান থেকেই আসে ফ্ল্যাশ নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মাথায়।
একটি বড় ফ্ল্যাশে সাধারণত ছয় থেকে ৭ লিটার পানি খরচ হয়। আগে যে কোনো ফ্ল্যাশে ঠিক এই পরিমাণেই পানি খরচ হত। আর ছোট ফ্ল্যাশে খরচ হয় ৩ থেকে সাড়ে ৪ লিটার পানি। ফলে বড় কোন প্রয়োজন ছাড়া বড় ফ্ল্যাশ না চেপে রোধ করা যেতে পারে পানির অপচয়। মূলত এই ভাবনা থেকে ফ্লাশে দুটো বোতাম ব্যবস্থা করা হয়।