শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৩৫ অপরাহ্ন

ডিআইজি মিজান ও দুদক কর্মকর্তা বাছিরের মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ অব্যাহত

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৪৬ জন নিউজটি পড়েছেন

অবৈধভাবে তথ্য পাচার ও ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে করা মামলায় বরখাস্তকৃত পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমান ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে।

বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক শেখ নাজমুল আলমের আদালতে মামলার রেকর্ডিং অফিসার দুদকের সহকারি পরিচালক আব্দুল ওয়াদুদের সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে।

মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ১৬ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বুধবার মামলার এক নম্বর সাক্ষী ও বাদি দুদকের পরিচালক শেখ মোঃ ফানাফিল্যাকে জেরা করেন আসামি পক্ষের আইনজীবী। এরপর মামলার রেকর্ডিং অফিসার দুদকের সহকারী পরিচালক আব্দুল ওয়াদুদের সাক্ষ্য গ্রহণের পর তাকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী। মামলায় ১৭ সাক্ষীর মধ্যে আজ পর্যন্ত দু’জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার থাকাকালে বিয়ে গোপন করতে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্ত্রীকে গ্রেফতার করানোর অভিযোগ ওঠে ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে। এছাড়া এক সংবাদ পাঠিকাকে প্রাণনাশের হুমকি ও উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে মিজানুরের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) হয়।

নারী নির্যাতনের অভিযোগে ২০১৯ সালের জানুয়ারির শুরুর দিকে তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়। এরপর ওই বছরের ২৪ জুন সম্পদের তথ্য গোপন ও অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মিজানুরের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। এর অনুসন্ধান কর্মকর্তা ছিলেন দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির।

মামলার তদন্ত চলাকালে ডিআইজি মিজান অভিযোগ করেন, অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ থেকে রেহাই দিতে দুদকের পরিচালক এনামুল বাছির তার কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন।

এ অভিযোগ ওঠার পর বাছিরকে সরিয়ে দুদকের আরেক পরিচালক মোঃ মঞ্জুর মোরশেদকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয়। ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ফানাফিল্যাকে প্রধান করে তিন সদস্যের দলকে অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেয়া হয়।

এ ঘটনায় ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এ মামলাটি করেন দুদকের পরিচালক শেখ মোঃ ফানাফিল্যা। এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তাও তিনি।

২০২০ সালের ১৯ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েসের আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন দুদকের পরিচালক শেখ মোঃ ফানাফিল্যা। ৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েস আসামিদের উপস্থিতিতে এ চার্জশিট গ্রহণ করেন।

১৮ মার্চ ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English