মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:০৮ অপরাহ্ন

তৃতীয় দিনেও নিখোঁজ আটজনের সন্ধান মেলেনি

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৪৭ জন নিউজটি পড়েছেন

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার মেঘনায় বরযাত্রীবাহী ট্রলারডুবির ঘটনায় সাত শিশুসহ নিখোঁজ আটজনের সন্ধানে তৃতীয় দিনের মতো উদ্ধার অভিযান চালানো হয়েছে। কিন্তু বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কারও সন্ধান পাওয়া যায়নি।

হাতিয়ার নলচিরা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. একরাম উল্লাহ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বলেন, গত মঙ্গলবার মেঘনায় নিখোঁজ বরযাত্রীদের উদ্ধারে তৃতীয় দিনের মতো তাঁরা এবং কোস্টগার্ডের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। পাশাপাশি নিখোঁজ ব্যক্তিদের স্বজনেরাও জেলেদের নিয়ে মেঘনার বিভিন্ন এলাকায় স্বজনদের সন্ধান করেন। কিন্তু সন্ধ্যা পর্যন্ত কোথায়ও কোনো লাশ ভেসে ওঠার খবর তাঁরা পাননি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরের ওই ট্রলারডুবির ঘটনায় এ পর্যন্ত নববিবাহিত কনেসহ সাতজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া সাত শিশুসহ আটজন এখনো নিখোঁজ রয়েছে। এর মধ্যে একই পরিবারের তিন শিশুসহ চারজন। তারা হলো হাতিয়ার নলেরচরের আল-আমিন গ্রামের নাছির উদ্দিনের স্ত্রী জাকিয়া খাতুন (৫৫), তাঁর ছেলে আবদুল কাদেরের দুই সন্তান মো. হাসান (৫) ও নুর নাহার (৩), নাছিরের মেয়েপক্ষের নাতনি হালিমা খাতুন (৪)।

এ ছাড়া নিখোঁজ বাকি চারজন হলো কনের আত্মীয় পূর্ব আজিমনগরের রিয়াজ উদ্দিনের মেয়ে নিহা আক্তার (১), ভোলার মনপুরার মহিউদ্দিনের মেয়ে নামিয়া আক্তার (৩) ও আবদুর রহিমের ছেলে মো. আলিফ (২) এবং হাতিয়ার বয়ারচরের মো. ইলিয়াছের ছেলে আমির হোসেন (দেড় বছর)।

নিহত কনে তাছলিমা আক্তারের বাবা মো. ইব্রাহিম সওদাগর জানান, ডুবে যাওয়া ট্রলারটিতে ঠিক কতজন যাত্রী উঠেছিল, তা তাঁরা এখনো নিশ্চিত হতে পারেননি। তবে এ পর্যন্ত তাঁর মেয়ে, মাসহ সাতজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া আত্মীয়স্বজনদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, একই পরিবারের চারজনসহ আটজন এখনো নিখোঁজ আছে বলে তাঁরা তথ্য পেয়েছেন। বিষয়টি কোস্টগার্ড ও প্রশাসনের লোকজনকেও অবহিত করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার বেলা দেড়টার দিকে আল-আমিন গ্রামের নাছির উদ্দিনের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, স্ত্রী ও নাতি-নাতনির শোকে বিহ্বল নাছির। ঘরের ভেতর তাঁর মেয়ে ও স্বজনদের আহাজারিতে পুরো বাড়ির পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে। ট্রলারডুবিতে বেঁচে যাওয়া নাছিরের জামাই নাজিম উদ্দিন বলেন, তিনি প্রায় ২০ মিনিট নদীতে ভেসে ছিলেন। এরপর ডুবে যাওয়া ট্রলারের একটি অংশ ধরে আরও লোকজনের সঙ্গে কিছু সময় ভেসে থাকার পর অন্য মাছ ধরা ট্রলার গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English