বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ন

দোয়ারাবাজারে পানি কমছে, দুর্ভোগ বাড়ছে

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ১ জুলাই, ২০২০
  • ৪৭ জন নিউজটি পড়েছেন

ভাটিতে পানির টান না থাকায় দোয়ারাবাজারে বন্যার পানি কমছে শম্বুক গতিতে। সুরমাসহ উপজেলার সব নদ-নদীর পানি কমলেও হাওর এলাকায় বানের পানি অপরিবর্তিত রয়েছে। এ দিকে পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে দুর্ভোগ বেড়েছে পানিবন্দি মানুষের।

উপজেলা সদরের সঙ্গে অধিকাংশ ইউনিয়নের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। গৃহপালিত গবাদিপশু নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। উপজেলা প্রশাসন শুকনো খাবারের প্যাকেট বিতরণ করলেও তা একেবারে অপ্রতুল। উপদ্রুত এলাকায় পর্যাপ্ত ত্রাণ এখনও পৌঁছেনি।

জেলার শ্রেষ্ঠ মৎস্য খামারি আবদুর রহিম জানান, পানিতে ভেসে যায় সুরমা, বগুলা ও দোয়ারা সদর ইউনিয়নের শতাধিক ঘেরের কোটি টাকার মাছ।

উপজেলা নদীভাঙন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি তাজুল ইসলাম জানান, ইতিমধ্যে উপজেলা সদরে দুটি দোকান সুরমা নদীতে তলিয়ে গেছে।

চিলাই নদী পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক শিব্বির আকন্দ (সাব্বির) জানান, দোয়ারাবাজার-বগুলা-লক্ষ্মীপুর সড়কে মোকামের পাশে, ক্যাম্পের ঘাটের পাশে ও উত্তর আলমখালী অংশে চিলাই নদীর বেড়িবাঁধে ভাঙনসহ বিভিন্ন সড়কে অনেকগুলো ফাটল ও ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে দুই তীরের সহস্রাধিক হেক্টর উঠতি আউশ ফসল, আমনের বীজতলা ও সবজি খেত তলিয়ে গেছে।

একদিকে মহামারী করোনার থাবা, অপরদিকে ভয়াল বন্যার ছোবল। এ যেন ‘মরার উপর খাঁড়ার ঘা’। এ সব দৈন্যদশায় দোয়ারাবাজারকে বন্যাদুর্গত এলাকা ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোনিয়া সুলতানা জানান, বৃষ্টিপাত অপেক্ষাকৃত কম হওয়াতে বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে। দুর্যোগ মোকাবেলায় সার্বক্ষণিক মনিটরিংসহ কন্ট্রোলরুমসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রণয়নের জন্য ইউপি চেয়ারম্যানদের জানানো হয়েছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English