রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:২৫ অপরাহ্ন

ধনেপাতার পুষ্টি

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিতঃ শনিবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৩৯ জন নিউজটি পড়েছেন

শীতকালের তরকারি, ভাজি, ভর্তা, হালিম, খিচুড়ি ইত্যাদি খাবারের স্বাদ ও সুগন্ধি বৃদ্ধির প্রধান উপাদান ধনেপাতা। শীতকালে শাকসবজি রান্না ধনেপাতা ছাড়া যেন অপূর্ণ থেকে যায়। শুধু স্বাদ ও সুগন্ধি নয়, ধনেপাতায় রয়েছে প্রচুর পুষ্টি ও ভেষজগুণ। ধনেবীজ অর্থাৎ ধনে মসলায়ও রয়েছে প্রচুর ভেষজগুণ। বিভিন্ন রোগ সারাতে এবং প্রতিরোধে ধনেপাতা অনেক ভূমিকা রাখে।

পেট ফাঁপলে অর্থাৎ পেটে গ্যাস হলে ধনেপাতার রস বায়ুনাশক হিসেবে কাজ করে। প্রস্রাবের পরিমাণ কম হলে মূত্রবর্ধক হিসেবে ধনেপাতা কাজ করে থাকে। ঠান্ডা-সর্দিতে ধনেপাতার সঙ্গে কাঁচামরিচ, পেঁয়াজ, রসুন, কালিজিরা এবং সরিষা বেটে ভর্তা করে খেলে উপকার পাওয়া যায়।

ধনেপাতা বলবর্ধক হিসেবে কাজ করে কিনা, তা নিয়ে যথেষ্ট বিতর্ক রয়েছে। পেটের শূল বেদনা কমাতে অনেক সময় ধনেপাতা ও তার বীজ কাজ দিয়ে থাকে। ধনেপাতায় রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ। ধনের সবুজ পাতায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’, যা অধিকাংশ শাকসবজির চেয়ে বেশি। আয়রনের পরিমাণ কচুশাক, লালশাক ও ডাঁটাশাক ছাড়া সব শাকসবজির চেয়ে অনেক বেশি রয়েছে।

একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষ দৈনিক ১০০ গ্রাম ধনেপাতা খেলে তার দৈনিক আয়রনের চাহিদা পূরণ হয়। প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যোপযোগী ধনেপাতায় রয়েছে জলীয় অংশ ৮৬.৩ গ্রাম। খনিজ পদার্থ ২.৩ গ্রাম, আঁশ ১.২ গ্রাম, খাদ্যশক্তি ৪৪ কিলোক্যালোরি, আমিষ ৩.৩ গ্রাম, চর্বি ০.৬ গ্রাম শর্করা ৬.৩ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ১৮৪ মিলিগ্রাম, আয়রন ১৮.৫ মিলিগ্রাম, ক্যারোটিন ভিটামিন এ ৬৯১৮ মাইক্রো গ্রাম, ভিটামিন বি ১০.০৫ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি-২০.০৬ মিলিগ্রাম ও ভিটামিন-সি ১৩৫ মিলিগ্রাম। তবে এই পুষ্টিমান ধনের জাত, উৎপাদনের স্থান ও মাটির ওপর নির্ভরশীল।ক্ষা করে এবং ত্বকের স্বাভাবিক রং বজায় রাখে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English